টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ৩১১ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় পারফরম্যান্সে এই রান তাড়া করে ২ উইকেটে জিতেছে ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার (৭১ বলে ৬৩) ও সঞ্জু স্যামসনের (৫১ বলে ৫৪) ব্যাটে এসেছে জয়ের ভিত। প্রথম ওয়ানডেতে শেষ ১০ ওভারে ৯০ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

কাল রাতেও শেষ ১০ ওভারে প্রায় একই সমীকরণের সম্মুখীন হয় ভারত। দরকার ছিল ১০০ রান। একজন অক্ষর প্যাটেল থাকায় রক্ষা! ৩৫ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসে ভারতকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। তিন ম্যাচ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে সিরিজও নিজেদের করে নিল শিখর ধাওয়ানের দল।

default-image

২৭ বলে অর্ধশতক তুলে নেন অক্ষর। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ৮ রান। কাইল মেয়ার্সের প্রথম তিন বল থেকে ২ রান নেন অক্ষর ও মোহাম্মদ সিরাজ। সমীকরণ নেমে আসে শেষ ৩ বলে ৬ রানে। চতুর্থ বলে মেয়ার্স ফুল টস মারেন। স্ট্রেট দিয়ে ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতান অক্ষর। তিনটি জুটিতে ভর করে তিন শ-র বেশি এই সংগ্রহ তাড়া করতে পেরেছে ভারত।

এই মাঠে ওয়ানডেতে এটি সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডও। ১৯৮৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৭২ রান তাড়া করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কালকের ম্যাচের আগ পর্যন্ত এত দিন এটাই ছিল এই মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নজির।

ভারতের ওপেনিং জুটিতে ৬৬ বলে ৪৮ রান তোলেন শুবমান গিল ও ধাওয়ান জুটি। ৪৩ রান করেন শুবমান ও ১৩ রানে ফেরেন ধাওয়ান। চতুর্থ উইকেটে ৯৪ বলে ৯৯ রানের জুটি গড়েন শ্রেয়াস ও স্যামসন। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে দীপক হুদাকে সঙ্গে নিয়ে ৩৩ বলে ৫১ রান তোলেন অক্ষর। মেয়ার্স ও আলজারি জোসেফ ২টি করে উইকেট নেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে শাই হোপের নাম আসবে সবার আগে। ক্যারিয়ারের শততম ওয়ানডে খেলতে নেমে শতক তুলে নেন হোপ। ১৩৫ বলে ১১৫ রানের ইনিংস খেলেছেন। ওয়ানডেতে নিজের শততম ম্যাচে শতকের দেখা পাওয়া দশম খেলোয়াড় হোপ। সর্বশেষ ২০১৮ সালে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই নজির গড়েছিলেন ভারতের বর্তমান অধিনায়ক ধাওয়ান। ৭৭ বলে ৭৪ রান করেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। ৩ উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর।

জয়ের পর অক্ষর প্যাটেল বলেছেন, ‘যখন উইকেটে যাই ওভারপ্রতি ১০-১১ রান তোলার লক্ষ্য ছিল আমাদের। আইপিএলের অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে এটা সম্ভব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন