রানতাড়ায় ৩৫ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান দুটি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে কোণঠাসা করে ফেলেছিলেন। তবে উইলিয়ামস ও বার্লের ৬৩ রানের জুটির সুবাদে আবারও ম্যাচে ফিরে আসে জিম্বাবুইয়ানরা। তবে ১৯তম ওভারের শেষ বলে সাকিব আল হাসানের দারুণ এক থ্রোতে রানআউট হয়ে যান উইলিয়ামস। ৪২ বলে ৬৪ রান করা উইলিয়ামসের বিদায়ে ম্যাচ আবার বাংলাদেশের দিকে ঘুরে যায়।

ম্যাচশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ওই রানআউটের কথাই বলেছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক, ‘প্রথমে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ঘুরে দাঁড়ানোটা সহজ ছিল না। সেখান থেকে উইলিয়ামস খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। রায়ানের সঙ্গে ওর জুটিটা আমাদের জয়ের আশাও জাগিয়ে তুলেছিল। কিন্তু শেষ দিকে সাকিবের দারুণ ফিল্ডিং খেলাটা ঘুরিয়ে দিল।’

অবশ্য শেষের ওই নাটক যেন ছাপিয়ে গেছে সবকিছুকেই। ম্যাচ–পরবর্তী পুরস্কার বিতরণীতে পেশাদার ক্রিকেটে ১১৫টি টেস্টসহ প্রায় ৮০০ ম্যাচ খেলা মাইকেল আথারটনও নিজের বিস্ময় লুকাতে পারছিলেন না। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ককে জিজ্ঞাসা করেন, ‘এমন কিছু আমি আগে দেখিনি, আপনি দেখেছেন?’

৩৭ বছর বয়সী আরভিনও আর ভিন্ন কী বলবেন! একই কথার প্রতিধ্বনি করে জবাব দিলেন, ‘না, আমিও আমার ক্রিকেটজীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি। কোথাও শুনিওনি। মনে হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপ সবই দেখাচ্ছে।’