৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর চতুর্থ উইকেটে স্টেফান বার্ড ও অধিনায়ক গেরহার্ড এরাসমাস ৪২ বলে গড়েন ৪১ রানের জুটি। এরাসমাসের আউটের পর ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ককে নিয়ে ১৩ বলে ১৫ রানের আরেকটি ছোট জুটি গড়েন বার্ড।

কোনোভাবে ঘুরে দাঁড়ালেও নামিবিয়ার রান তোলার গতি হয়ে পড়ে শ্লথ। ১৫ ওভার শেষেও তাদের রান ছিল ৬ ওভারে ৯৫, ওভারপ্রকি মাত্র ৬.৩৩। এখান থেকেই রানের গতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিন ফ্রাইলিঙ্ক ও জেজে স্মিট।

পরের চার ওভারে তাঁরা তোলেন ৫৫ রান। ইনিংসের শেষ বলে স্মিট রানআউট হওয়ার আগে সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ৩৩ বলে ৬৯ রান।
ফ্রাইলিঙ্ক ২৮ বলে ৪৪ রান করে রানআউট হলেও স্মিট ১৬ বলে ৩১ রান করে ছিলেন অপরাজিত। শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩৭ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন প্রমোদ মাদুশান।

রান তাড়া করতে নেমে দ্রুতই ৪০ রানে ৪ উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কাকে আশা দেখাচ্ছিলেন ভানুকা রাজাপক্ষে ও অধিনায়ক শানাকা। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে ২৪ বলে তোলেন ৩৪ রান। ২১ বলে ২০ রান করে রাজাপক্ষে আউট হয়ে গেলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপ।

নামিবিয়ার পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ডেভিড ভিসে, বার্নার্ড শোলৎজ, বেন শিকোঙ্গো ও ফ্রাইলিঙ্ক। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ম্যাচসেরা হয়েছেন ফ্রাইলিঙ্ক। তবে বোলিংয়ে নামিবিয়ার আসল কাজটা করে দিয়েছেন শিকোঙ্গোই। শ্রীলঙ্কার ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রথম বল হাতে নিয়েই পরপর দুই বলে তিনি ফিরিয়েছেন পাতুম নিশাঙ্কা ও দানুশকা গুনাতিলকাকে।