এই সময় পাকিস্তান দলের ব্যাটিংয়ের ধরনটা কী হতে পারত, সেটি বলেছেন ফ্লেমিং, ‘দল হিসেবে এই সময় ব্যাটসম্যানদের কাছে যে বার্তা দেওয়া উচিত ছিল, সেটি হচ্ছে, বাকি চার ওভারে নিজেদের সংগ্রহটাকে চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দাঁড় করানোর জন্য যথেষ্ট অস্ত্র আমাদের হাতে আছে। কিন্তু সেটি হয়নি। আমি মনে করি এটা ছিল বড় ভুল।’

এমসিজি (মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড) বিশাল মাঠ। এই মাঠের আকার–আকৃতি নিয়ে পাকিস্তান দল যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করেনি বলেই মনে করেন ফ্লেমিং, ‘আমার মনে হয় এমসিজির আকার–আকৃতি নিয়ে পাকিস্তান দল যথেষ্ট কাজ করেনি। কন্ডিশন নিয়েও তাদের ভাবনায় ঘাটতি ছিল। এই মাঠে দলগুলো গতানুগতিক চিন্তাই করে। পাকিস্তান ভেবেছে, ১৬ ওভারের পর একটা ১৫/১৬ রানের ওভারই হয়তো দলের সংগ্রহটাকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে পারবে। কিন্তু এমসিজি ঠিক তেমন মাঠ নয়। এই মাঠে ইনিংসের দারুণ একটা সমাপ্তির জন্য আলাদা করেই পরিকল্পনার দরকার ছিল।’

ফ্লেমিং বলেন, ‘পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শান মাসুদ, শাদাব খান, মোহাম্মদ নওয়াজ—প্রত্যেকেই বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছে। এখানে বড় শট না খেলে এক–দুই করে নেওয়াটাই যুক্তিযুক্ত ছিল। হঠাৎ করেই তারা ৮৫ মিটার দূরত্বের বিশাল বাউন্ডারির দিকে তুলে মারতে গিয়েই দলের বিপদ ডেকেছে। একটু ধরে খেললেই তারা সংগ্রহটাকে ১৬৫ বানিয়ে ফেলতে পারত।’