default-image

তবে মিলারের এই বিশেষ ছক্কার দিনে প্রোটিয়াদের ব্যাটিংয়ে আসল কাজটা করেছে রেজা হেনড্রিকস ও এইডেন মার্করাম। শূন্য রানে কুইন্টন ডি কককে হারানোর পর শুরুতে রাইলি রুশোকে সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন হেনড্রিকস। সঙ্গে ঘুরিয়েছেন রানের চাকাও। রাইলি রুশো দলে প্রত্যাবর্তনের পর আগের ম্যাচেই অপরাজিত ৯৬ রানের ইনিংস খেলার পর আজ সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে খেলেছেন ১৮ বলে ৩১ রানের ইনিংস। রুশো ইনিংস বড় করতে না পারলেও ওপেনার হেনড্রিকসের ব্যাট থেকে এসেছে টানা তৃতীয় ফিফটি। দলে ফেরা আরেক ব্যাটসম্যান এইডেন মার্করাম ৩৬ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেললে দক্ষিণ আফ্রিকা বড় সংগ্রহ পায়।

default-image

সাউদাম্পটনের রোজ বোল স্টেডিয়ামে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে হলে ইতিহাসই গড়তে হতো ইংল্যান্ডের। কারণ এই মাঠে ১৯১ রান এর আগ কোনো দলই তাড়া করতে পারেনি। বাটলাররা ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করতে পারেননি। ১৯২ রানের লক্ষ্য শুরু থেকে পিছিয়ে ছিল তাঁরা। জস বাটলার, জেসন রয়রা ছিলেন ব্যর্থ। তেমনি মিডল অর্ডার কোনো ব্যাটসম্যানরাও দক্ষিণ আফ্রিকান ‘চায়নাম্যান’ বোলার তাবরিজ শামসির বলে ছিলেন অসহায়। শামসি ২৪ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ইংল্যান্ডও ১৬.৪ ওভারের বেশি টিকতে পারেনি। কোনোমতে ১০১ রান তুলেই আত্মসমর্পণ করেছে তারা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন