২০১৯ সালে ওয়ানডে অভিষেক হলেও গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়মিত খেলছেন সিরাজ। ফেরার পর থেকেই বল হাতে ধারাবাহিক হায়দরাবাদ থেকে উঠে আসা এ পেসার। এ সময় ২০ ম্যাচে নিয়েছেন ৩৭ উইকেট। ২৮ বছর বয়সী এ পেসার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ খেলে নেন ৫ উইকেট। এর মধ্যে প্রথম ম্যাচেই নিয়েছিলেন ৪৬ রানে ৪ উইকেট। তার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ৯ উইকেট নিয়ে উঠে এসেছিলেন র‌্যাঙ্কিংয়ের তিনে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে আরও দুই ধাপ উন্নতি ঘটিয়ে উঠে এলেন শীর্ষে। সিরাজের আগে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিলেন কপিল দেব, মনিন্দর সিং, অনিল কুম্বলে, রবীন্দ্র জাদেজা ও যশপ্রীত বুমরা।

সিরাজের রেটিং পয়েন্ট ৭২৯। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার জস হ্যাজলউড মাত্র ২ পয়েন্ট (৭২৭ রেটিং পয়েন্ট) পিছিয়ে। সিরাজের নতুন বলের সতীর্থ মোহাম্মদ শামি ১১ ধাপ এগিয়ে ৩২তম স্থানে উঠে এসেছেন। র‌্যাঙ্কিংয়ের তিনে নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। শীর্ষ দেশে বাংলাদেশ থেকে আছেন দুজন—সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। ৬৫২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সাকিব সাতে ও ৬৩৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে মোস্তাফিজ নয়ে। নতুন র‌্যাঙ্কিংয়ে তাঁদের অবস্থান পাল্টায়নি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে ডাবল সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরিতে মোট ৩৬০ রান করা ভারতের ওপেনার শুবমান গিল ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো শীর্ষ দশে উঠে এসেছেন। ২০ ধাপ এগিয়ে ছয়ে উঠে এসেছেন গিল। ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারত থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গিল। সাতে বিরাট কোহলি।

ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে পাকিস্তানের বাবর আজম। এরপর যথাক্রমে রেসি ফন ডার ডুসেন, কুইন্টন ডি কক, ডেভিড ওয়ার্নার ও ইমাম–উল–হক। অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে সাকিব যথারীতি শীর্ষে। এরপর আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী। তিনে বাংলাদেশের স্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান।