প্রথম দুই ম্যাচে উইকেট না পাওয়া শাহিন শাহ আফ্রিদিও অবশ্য শেষ চার ম্যাচে স্বরূপে ফিরেছেন। তুলে নিয়েছেন ১০ উইকেট। ওভারপ্রতি রান খরচও কম তাঁর, মাত্র ৬.১৭। সমান ১০ উইকেট শাদাবেরও। সহ–অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা এই অলরাউন্ডার ব্যাট হাতেও একটি ৫০ ছাড়ানো ইনিংস খেলেছেন। মাত্র ২২ বলে খেলা ৫২ রানের যে ইনিংসটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। এ ছাড়া ক্ষিপ্রগতির ফিল্ডার হিসেবেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন শাদাব, টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত রানআউট করেছেন দুটি।

সব মিলিয়ে শাদাবকেই টুর্নামেন্ট–সেরা বলে মনে হচ্ছে বাবরের, ‘যেভাবে খেলেছে, শাদাব খানেরই পাওয়া উচিত। বোলিং করেছে অসাধারণ, ব্যাটিংয়েও ভালো উন্নতি করেছে। শেষ তিনটি ম্যাচে অসাধারণ ফিল্ডিংসহ যে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, শাদাবই টুর্নামেন্ট-সেরার প্রধান দাবিদার।’

ইংল্যান্ড অধিনায়ক বাটলারের পছন্দ সূর্যকুমার যাদব টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান (২৩৯) সংগ্রাহক। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের নিয়ে গড়া ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপে নিজেকে আলাদা করে চিনিয়েছেন ব্যাটিংয়ের ধরনে। উইকেটের চারপাশেই খেলতে পারেন, যে কারণে স্ট্রাইক রেটও অবিশ্বাস্য—১৮৯.৬৮। ৬ ম্যাচে ফিফটি তুলে নিয়েছেন ৩টি। বিশ্বকাপের মধ্যেই আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটসম্যানদের শীর্ষেও উঠেছেন।

সে কারণেই টুর্নামেন্টজুড়ে চমৎকার পারফর্ম করা সূর্যের হাতেই সেরার পুরস্কার দেখছেন বাটলার, ‘আমার মনে হয় সূর্যকুমার যাদবই জিতবে। তারকাবহুল ব্যাটিং লাইনআপে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করেছে। যেভাবে নিজেকে আলাদা করে চিনিয়েছে, তা সত্যিই দারুণ।’

বাটলার অবশ্য তাঁর দুই সতীর্থ হেলস আর কারেনকেও যোগ্য মনে করছেন। সে ক্ষেত্রে ফাইনালে ভালো কিছু করতে হবে বলে মন্তব্য তাঁর, ‘হ্যাঁ, তালিকায় কারেন আর হেলসও আছে। ফাইনালে ভালো কিছু করতে পারলে ওরাও টুর্নামেন্ট–সেরা হতে পারবে।’

আইসিসির টুর্নামেন্ট–সেরার সংক্ষিপ্ত মনোনয়নে শাদাব, সূর্যকুমার, শাহিন, বাটলার, হেলস ও কারেন ছাড়াও আছেন ভারতের বিরাট কোহলি, শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা এবং জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।