হোবার্টে গত দুই বছরে আগে ব্যাট করা দল জয় পেয়েছে ৭৭ শতাংশ ম্যাচে। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এখানে হওয়া দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে আগে ব্যাটিং করা দল। তাই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টস জেতার পর ব্যাটিং নিতে হয়তো স্কটল্যান্ড অধিনায়ক রিচি বেরিংটনকে একবারও ভাবতে হয়নি।

হোবার্টের উইকেট এমনিতেই ব্যাটিং সহায়ক, স্কটল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরাও হতাশ করেননি । আগের ম্যাচে ফিফটি করা জর্জ মানসি এ ম্যাচে শুরুতে ফিরলেও জ্বলে ওঠেন আরেক ওপেনার মাইকেল জোন্স। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ম্যাথু ক্রসের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। ২৮ রান করে ম্যাকার্থির বলে ক্রস ফিরলে অধিনায়ক বেরিংটনের সঙ্গে জুটি গড়েন ৭৭ রানের।

বেরিংটন করেন ২৭ বলে ৩৭ রান। ইনিংসের ১৪ তম ওভার ফিফটির দেখা পান জোন্স। ৩৮ বলে ফিফটি করা জোন্স ৫৫ বলে ৮৬ রান করে ইনিংসের ১৯ তম ওভারে আউট হন। ততক্ষণে স্কটল্যান্ডের বড় সংগ্রহ তোলা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে গেছে।

১৭৬ রান তাড়া করতে হলে শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হতো আয়ারল্যান্ডকে। সেই দায়িত্বটা সবচেয়ে বেশি যাঁর ওপরে ছিল, সেই পল স্টার্লিং তেমন কিছুই করতে পারেননি। একবার জীবন পাওয়ার পরও ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন। অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বলবার্নিও (১৪) রান পাননি।

৯ ওভার ৩ বল অর্থাৎ প্রথম ৫৭ বলে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৬১ রান। ক্যাম্ফার ও ডকরেলের অবিশ্বাস্য জুটি ম্যাচের চেহারা বদলে দেয়। জর্জ ডকরেল যখন ক্রিজে আসেন, আয়ারল্যান্ডের ওভারপ্রতি প্রায় ১১ রান প্রয়োজন ছিল। দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে তা খুব বেশি মনে হয়নি। বোলিংয়ে ২ উইকেট নেওয়ার পর ক্যাম্ফার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির দেখা পান মাত্র ২৫ বলে।

আয়ারল্যান্ড নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড হারিয়েছিল দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। দুই ম্যাচ শেষে তাই এই দুই দলই একটি করে জয় পেয়েছে।

প্রথম রাউন্ডে বি গ্রুপ থেকে ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আয়ারল্যান্ড (-০.৪৬৮)। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়েও স্কটল্যান্ড দুইয়ে রানরেটে এগিয়ে থাকার কারণে (০.৭৫৯)। শ্রেয়তর রানরেট নিয়ে ১ ম্যাচে ২ পয়েন্ট তোলা জিম্বাবুয়ে (১.৫৫০) শীর্ষে। ১ ম্যাচ খেলে কোনো পয়েন্ট না পাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ গ্রুপের তলানিতে।