অ্যারন ফিঞ্চ অবসরে যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার এটি দ্বিতীয় ওয়ানডে। আগের ম্যাচেই ওয়ানডে অধিনায়কত্বের মেয়াদ শুরু করা প্যাট কামিন্স  ছিলেন বিশ্রামে। তাঁর জায়গায় অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব করেছেন আরেক পেসার জস হ্যাজলউড। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ইংল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক জস বাটলারকেও। ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সহ-অধিনায়ক মঈন আলী।

সিডনিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আগের ওয়ানডতে অর্ধশতক করা দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রেভিস হেড ইনিংস বড় করতে পারেননি। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ইনিংসের হাল ধরে স্মিথ ও লাবুশেন গড়েন ১০১ রানের জুটি। দুজনই ফেরেন আদিল রশিদের শিকার হয়ে।

এই নিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ছয়বার রশিদের শিকার হলেন স্মিথ। স্মিথ ও লাবুশেন ছাড়া অর্ধশতকের দেখা পান মিচেল মার্শও। শেষদিকে অ্যাস্টন অ্যাগারের ১২ বলে ১৮ রানেই ইনিংসে ২৮০ রান করে অস্ট্রেলিয়া। রশিদ নেন ৩ উইকেট।

জবাবে শুরুতেই মিচেল স্টার্কের তোপের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড। চূড়ান্ত বাজে ফর্মে থাকা জেসন রয়ও ফেরেন শূন্য হাতে। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ডেভিড ম্যালানকেও রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয়েছে স্টার্কের অসাধারণ এক ডেলিভারিতে। স্টার্ক ঝড় সামলে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। সে কাজটা করেছেন জেমস ভিন্স ও স্যাম বিলিংস।

দুজনেই করেন অর্ধশতক। তাঁদের ১২২ রানের জুটি ভাঙেন হ্যাজলউড। এরপর অ্যাডাম জাম্পা জ্বলে উঠলে সেখানেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ইংল্যান্ড। ৩ উইকেটে ১৫৬ রান করা ইংল্যান্ড ১৬৯ রানে হারায় ৭ উইকেট। স্টার্ক আর জাম্পা দুজনেই নেন চারটি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন স্টার্ক।