২০১২ ও ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এবারের বিশ্বকাপে খেলতে হয়েছে প্রথম পর্বে। তবে সুপার টুয়েলভে উঠতে ব্যর্থ হয় তারা। কাইরন পোলার্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর গত মে মাসে পাকাপাকিভাবে সাদা বলের নেতৃত্ব দেওয়া হয় পুরানকে। এর আগেও পোলার্ডের অনুপস্থিতিতে ক্যারিবীয়দের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪০টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন পুরান, এর মধ্যে ক্যারিবীয়রা জিতেছে মাত্র ১২টি ম্যাচ। পূর্ণ মেয়াদে তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর শুধু নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ওয়ানডে ও বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর পুরান বলেছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হতাশার পর থেকেই অনেক ভেবেছি অধিনায়কত্ব নিয়ে। অনেক গর্ব ও নিবেদন নিয়ে এ দায়িত্ব নিয়েছিলাম, গত এক বছরে সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে আমাদের বিচার করা উচিত হবে না, তবে সামনের রিভিউয়ে আমি সম্পৃক্ত হব। দল হিসেবে একত্র হওয়ার আগে যেহেতু কয়েক মাস সময় আছে, আমি মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের আগে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজকে (অধিনায়ক ঠিক করার ক্ষেত্রে) পর্যাপ্ত সময় দিতে চাই।’

বিবৃতিতে পুরান যোগ করেছেন, ‘আমি হাল ছাড়ছি না। এখনো আমি লক্ষ্যে স্থির আছি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব পাওয়াটা সম্মানেরই মনে করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের প্রতি পুরোপুরি নিবেদন থাকবে আমার, এ নিয়ে সংশয় নেই। সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে সহায়তাকারীর ভূমিকায় কাজ করতে মুখিয়ে আছি আমি। আমার বিশ্বাস, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট ও ব্যক্তিগত স্বার্থেই এখন আমার সরে যাওয়া উচিত। খেলোয়াড় হিসেবে কী দিতে পারি, সেদিকে পুরো মনোযোগ দেওয়া দরকার। নিজেদের সাফল্য পেতে আমি মরিয়া। ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রান করে যাওয়ার দিকেই আমি পুরো মনোযোগ দিতে চাই।’

আগামী মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পর তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।