কলকাতা নাইট রাইডার্স এ বছরের শুরুতে এই পেসারকে ৭.২৫ কোটি রুপিতে দলে টেনেছে। সামনে যেহেতু ঠাসা সূচি, তারই প্রস্তুতি হিসেবে একটু বিশ্রাম নিতে চান কামিন্স। টুইটারে এ নিয়ে ঘোষণায় কামিন্স আজ লিখেছেন, ‘আগামী বছর আইপিএলে না খেলার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ১২ মাস টেস্ট ও ওয়ানডে দিয়ে ঠাসা আন্তর্জাতিক সূচি থাকবে, তাই অ্যাশেজ ও বিশ্বকাপের আগে একটু বিশ্রাম নিতে চাই।’

২০২৩ সালের জুনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন কামিন্স। অক্টোবর ও নভেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এ ছাড়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে কামিন্সের দল। তবে কামিন্স কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলার পথে হাঁটছেন না।

বরং আইপিএলের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলকে তাঁর পরিস্থিতি বোঝার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আরও একটি টুইট করেছেন, ‘পরিস্থিতিটা বোঝার জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ধন্যবাদ। দুর্দান্ত একটা দল। আশা করি যত দ্রুত সম্ভব ফিরতে পারব।’ অর্থাৎ আগামী মৌসুমের পরের মৌসুমে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে ফিরতে চান কামিন্স।

শুধু অ্যাশেজ, ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ নয়, অস্ট্রেলিয়া দলকে ব্যস্ত হতে হবে এই মাস থেকেই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়া স্বাগতিকেরা পরশু থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে। এরপর ৩০ নভেম্বর থেকে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ চলে যাওয়ার পর ডিসেম্বর-জানুয়ারি মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিন টেস্টের সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। এরপর একই দলের বিপক্ষে আছে ওয়ানডে সিরিজ। জানুয়ারিতে এই সিরিজ শেষ হওয়ার পর ১৬ জুন থেকে শুরু হবে অ্যাশেজ সিরিজ।

নাইটদের হয়ে এ বছর আইপিএলে ৫ ম্যাচে ৭ উইকেট নেন কামিন্স। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ১৪ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আলোচিতও হন। আইপিএলে এটি লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।