এরই মধ্যে অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তকরণ বিষয়ে একটি কমিটি করেছে আইসিসি। কমিটিতে আছেন আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে, বিসিসিআই সচিব জয় শাহ, স্বতন্ত্র পরিচালক ইন্দ্রা নুয়ি এবং যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেটের সাবেক প্রেসিডেন্ট পরাগ মারাঠে।

ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেটে ছয় দলের ইভেন্ট প্রস্তাব করলেও এখনো টুর্নামেন্টের কাঠামো চূড়ান্ত করেনি আইসিসি। তবে প্রস্তাব গৃহীত হলে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ৬টি দল অলিম্পিক খেলার সুযোগ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ক্রিকেটে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি টি-টেন ও সিক্স-এ-সাইড ক্রিকেটের প্রচলন আছে। এর মধ্যে টি-টোয়েন্টি বেছে নেওয়া হয়েছে আইওসি ও লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির পরামর্শে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় এমন একটি সংস্করণকে প্রস্তাব করতে বলা হয়েছিল, যেটিতে বিশ্বকাপ খেলা হয়।

এর মধ্যে সময় স্বল্পতার বিবেচনায় টি-টোয়েন্টিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। আর খরচ কমানোর বিষয় মাথায় রেখে দলের সংখ্যা রাখা হয়েছে ৬টি। আইওসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অলিম্পিকে অ্যাথলেটের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।

এর মধ্যে ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকে মোট অ্যাথলেট সংখ্যা ১০ হাজার ৫০০–এর ভেতরে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ টোকিও অলিম্পিকে ছিল ১১ হাজার ৩০০।