জাতীয় ক্রিকেট লিগ
মাহমুদুল হাসানের সেঞ্চুরি, রুয়েলের ৫ উইকেট, ফলো অনে বরিশাল
২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় দিন শেষেই হারের শঙ্কায় বরিশাল। খুলনার বিপক্ষে ফলো অন করছে দলটি। চট্টগ্রামে সেঞ্চুরি পেয়েছেন জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ওপেনার মাহমুদুল হাসান।
মাহমুদুলের সেঞ্চুরি, অপেক্ষায় সাদিকুর
চট্টগ্রামে সেঞ্চুরি পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। বাংলাদেশের টেস্ট দল থেকে বাদ পড়া ওপেনার চট্টগ্রামের হয়ে রাজশাহীর বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে অপরাজিত ১০২ রানে। ১৯০ রানের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে তাঁর সঙ্গী সাদিকুর রহমান অপরাজিত ৮৬ রানে। এর আগে ৬ উইকেটে ২৯০ রান নিয়ে দিন শুরু করা রাজশাহীর প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৪ রানে। বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ৪ উইকেট নিয়েছেন ৯৬ রানে।
জুনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলা মাহমুদুলের এটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরি। ৮৭ রানের মাথায় এই সংস্করণে ৩ হাজার রানের মাইলফলকও ছুঁয়েছেন ২৩টি টেস্ট খেলা ওপেনার।
মিরপুরে বিপদে ঢাকা
শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ৬ উইকেটে ২২৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা রংপুরের প্রথম ইনিংস থামে ৩৪০ রানে। দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং শুরু করা ঢাকা দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ১২০ রান তুলে। ৭৪ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর তাইবুর রহমান (৩২*) ও সুমন খান (১৯*) আর বিপদ বাড়তে দেননি। রংপুরের মিডিয়াম পেসার চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান সর্বোচ্চ ২ উইকেট পেয়েছেন।
রিজওয়ান এর আগে ব্যাটিংয়ে রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন। আট ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক খেলোয়াড়ের এটি প্রথম ফিফটি। ঢাকার বাঁহাতি স্পিনার আরিফ আহমেদ ৯২ রানে নেন ৪ উইকেট।
সিলেটের লিড নেওয়ার লড়াই
সিলেটে ৭ উইকেটে ২৭৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা ময়মনসিংহ আজ অলআউট হয়েছে ৩১১ রানে। সিলেটের পেসার তোফায়েল আহমেদ এবং দুই স্পিনার নাঈম আহমেদ ও নাবিল সামাদ ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। সিলেট প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান তুলে দিন শেষ করেছে। দলটির অধিনায়ক ও ওপেনার জাকির হাসান করেছেন সর্বোচ্চ ৬০ রান। পাঁচে নামা আসাদউল্লাহ আল গালিব অবশ্য ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।
রুয়েলের ৫ উইকেট, ফলো অনে বরিশাল
ইনিংস হারের শঙ্কা নিয়ে ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে বরিশাল বিভাগ। খুলনায় স্বাগতিক খুলনার বিপক্ষে ফলো অনে পড়েছে দলটি। ৫ উইকেটে ৩২৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করা খুলনার প্রথম ইনিংস থামে ৪২৬ রানে। মধ্যাহ্নবিরতির পর ইনিংস শুরু করা বরিশাল প্রথম ইনিংসে ২৮.৪ ওভারে অলআউট হয়েছে ৯৪ রানে। ফলো অন করা দলটির দ্বিতীয় দিন শেষে স্কোর ৪৩/২। খুলনার প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২৮৯ রানে পিছিয়ে দলটি।
খুলনার ইনিংসে আজ ফিফটি করেই বিদায় নেন ৪৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা আফিফ হোসেন। তাঁকে ফিরিয়ে চতুর্থ উইকেট পাওয়া রুয়েল মিয়া খুলনার শেষ উইকেটটটি তুলে নিয়ে পেয়ে যান ৫ উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এই বাঁহাতি পেসার অষ্টমবার ইনিংসে ৫ উইকেট পেলেন।
বরিশালের প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৪ রান ইনিংস উদ্বোধন করা অধিনায়ক ইফতেখার হোসেনের। খুলনার তিন পেসার সফর আলী (২/৩৪), আবদুল হালিম (২/২২) ও মেহেদী হাসান রানা (৩/২৫) এবং অফ স্পিনার শেখ পারভেজ (৩/১০) ভাগাভাগি করেছেন উইকেটগুলো।