২০১৯ সালের অক্টোবরে সরফরাজ আহমেদকে সরিয়ে পাকিস্তানের অধিনায়ক করা হয় বাবরকে। সে সময় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন এহসান মানি। আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ইমরান। পিয়ার্স মরগানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমরান দাবি করেছেন, তিনিই মানিকে বলেছিলেন বাবরকে অধিনায়ক করতে।

ইমরান বলেছেন, ‘আমি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলাম, আমাদের ক্রিকেট খারাপ সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল। সে সময় আমি তাকে শুধু দুবার খেলতে দেখেছিলাম। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে আমি বোর্ডপ্রধানকে বলি, “অবশ্যই তাকে অধিনায়ক করতে হবে।’”

বিশ্বকাপের শুরু থেকে ছন্দহীনতায় ভুগছিলেন বাবর। প্রথম চার ম্যাচে তাঁর রান ছিল যথাক্রমে ০, ৪, ৪ ও ৬। তবে সেমিফাইনালে দলের প্রয়োজনে জ্বলে উঠে বাবর প্রমাণ করেছেন, কেন তিনি বড় মঞ্চের খেলোয়াড়। পাকিস্তানকে ফাইনালে তোলার পথে বাবর করেছেন ৪২ বলে ৫৩ রানের ইনিংস।

উদ্বোধনী জুটিতে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে তাঁর গড়া ১০৫ রানের জুটিটিই গড়ে দেয় জয়ের ভিত। দারুণভাবে জ্বলে ওঠা বাবরের প্রশংসায় ইমরান বলেছেন, ‘সে একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়। বেশ ব্যতিক্রমও বটে। আর আমি এমন বৈচিত্র্যময় ও নিখুঁত টেকনিকসম্পন্ন খেলোয়াড় আর দেখিনি। স্ট্রোক প্লে এবং টেম্পারামেন্টও দারুণ।’

বাবরকে কেন অধিনায়ক করতে বলেছিলেন, এর ব্যাখ্যায় ইমরান বলেছেন, ‘তাকে অধিনায়ক করা যৌক্তিক ছিল। কারণ, আপনি চাইবেন আপনার অধিনায়ক বিশ্বমানের হোক। যাতে সে সম্মানও আদায় করতে পারে।’