তবে বড় শটের চেষ্টা করতে গিয়েই একের পর এক ফিরেছেন ঢাকার অন্য ব্যাটসম্যানরা। সৌম্য ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন দুজন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ রানের ইনিংসটি আটে নামা তাসকিনের। তখন কে জানত, সেই তাসকিনই হবেন বল হাতে ঢাকার আরেক নায়ক!

অথচ রাতটা হতে পারত খুলনার নাহিদুল ইসলামেরও। ৪ ওভার, ২ মেডেন, ৬ রান, ৪ উইকেট—টি-টোয়েন্টিতে নিজের সেরা বোলিং করেও কিনা ম্যাচ শেষে এই অফ স্পিনার থাকলেন পরাজিত শিবিরে! বিপিএলের ইতিহাসে আরাফাত সানির পর এক ম্যাচে দুই মেডেনের কীর্তিও গড়েছেন নাহিদুল। ইনিংসে এর চেয়ে কম রান খরচ করার রেকর্ড আছে আর মাত্র পাঁচটি। সঙ্গে নাসুম আহমেদের ১১ রানে ৩ উইকেটের সুবাদে ১৯.৪ ওভারে ১০৮ রানেই শেষ ঢাকার ইনিংস।

নাহিদুলের সেই বোলিংয়ের কী দারুণ জবাবটাই না দিলেন তাসকিন! ঢাকার মতো খুলনাও উইকেট হারিয়েছে নিয়মিত বিরতিতে। ১৫.৩ ওভারে ৮৪ রানে অলআউট। তামিম ইকবাল (৩০) ও ইয়াসির আলী (২১) ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি আর কেউই।