আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে মাঠেই বিস্ময় প্রকাশ করেন সাকিব। কারণ তিনি নিশ্চিত ছিলেন বল তাঁর ব্যাট ছুঁয়ে তবেই বুটে লেগেছে। ওদিকে আম্পায়ারের নাকি মনে হয়েছে বল ব্যাটে লাগেনি, সরাসরি বুটে লেগেছে। আল্ট্রা এজে যেটা দেখা গেছে সেটা ব্যাট এবং মাটির সংঘর্ষের কারণে। যদিও পরে টিভি রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা গেছে, সাকিবের ব্যাট মাটিতে স্পর্শই করেনি।

আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে তবু ডাগআউটে ফিরে যান সাকিব। সেখানেও আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে বাংলাদেশ অধিনায়ককে। অ্যাডিলেড ওভালের প্রেসবক্স ও কমেন্ট্রিবক্সেও বিস্ময়। বাংলাদেশের ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান তো কোনো রাখঢাক না রেখেই বলে দিয়েছেন, ব্যাট মাটির অনেক ওপরে ছিল। কাজেই ওটা ব্যাটের সঙ্গে মাটির সংঘর্ষ নয়। তিনি বুঝতে পারছেন না কেন সাকিবকে আউট দেওয়া হলো! বিস্মিত পাকিস্তানের সাংবাদিকেরাও।

এর আগে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেও আম্পায়ারিং নিয়ে অসন্তুষ্টি ছিল বাংলাদেশের। ভারতের ‘ফেক ফিল্ডিং’ সত্ত্বেও ৫ রান না পাওয়া, বৃষ্টির পর দ্রুত খেলা শুরু করে দেওয়া; আপত্তি ছিল এসব নিয়ে।

ভারতের বিপক্ষে ৫ রানের হারের পরও বাংলাদেশের সেমিফাইনালের আশা বেঁচে থাকে। আজ অ্যাডিলেড ওভালে প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের চমক জাগানো জয়ের পর তো বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটা হয়ে দাঁড়ায় অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনাল—যে জিতবে সেই সেমিফাইনালে।

কিন্তু এই ম্যাচেও দুর্ভাগ্যের শিকার বাংলাদেশ, দুর্ভাগ্য সাকিবেরও। সাকিব যখন ফিরলেন ১০.৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ৭৩। ওপেনার নাজমুল হোসেন ফিফটি পেলেও ২০ ওভারে ৮ উইকেটে মাত্র ১২৭ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ।