৩০ বলে সেঞ্চুরি, পাওয়ার প্লেতে বিশ্ব রেকর্ড—ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে অভিষেকের ইতিহাস
না, দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড ভাঙতে পারেননি। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটা এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহানেরই রইল।
তবে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা। আজ দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন ভারতের এই ওপেনার। যা আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টি ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম। তবে এই সেঞ্চুরির পথেই অভিষেক গড়েছেন পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি রানের বিশ্ব রেকর্ড। ভারতের ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই একাই ৭৬ রান তুলেছেন অভিষেক।
দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় টি-টুয়েন্টিতে আফগানিস্তান টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। শুরুতে পিচ বোলারদের সহায়তা করবে, এমন আশাই ছিল আফগান অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরানের। কিন্তু সেটা যে কত বড় ভুল ছিল, খেলা শুরু হওয়ার পর তা হাড়ে হাড়ে টের পেতে শুরু করে আফগানিস্তান।
প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম বাউন্ডারি মারা অভিষেক দ্বিতীয় ওভার থেকে রীতিমতো তাণ্ডব শুরু করেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ওভার থেকে ২টি ছক্কা ১টি চার, এরপর ফজলহক ফারুকির তৃতীয় ওভার থেকে ২টি ছক্কা ২টি চার... আক্রমণের গতি শুধু বেড়েছেই।
চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসা মুজিব উর রেহমানকে ছক্কা মেরে ১৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন অভিষেক। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে রশিদ খানের বল খেলেছেন চারটি, দুটিতে চার একটি ছক্কা। ৬ ওভার শেষে ভারতের রান ১০০, অভিষেকেরই ২২ বলে ৭৬।
আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ছিল পর্তুগালের কুলদীপ গোলিয়ার। ২০২৩ সালে মাল্টার বিপক্ষে ২৫ বলে ৭৪ রান করেছিলেন তিনি। ৩ বল কম খেলেই তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন অভিষেক।
উদ্বোধনী জুটিতে ১৪২ রান পেয়ে যাওয়া ভারত শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান তোলে। অভিষেক ৩৪ বলে ১০৮ রান করে রশিদের বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন। তাঁর ইনিংসে ৯ চারের সঙ্গে ছিল ১১ ছক্কা।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৩১ রান তুলেছিল আফগানিস্তান।