default-image

জিম্বাবুয়ের বর্তমান কোচ ও দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা ডেভ হাটনের সঙ্গে যোগ আছে ব্যালান্সের। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা সবই জিম্বাবুয়েতে। জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলেন হয়ে পাঁচটি ম্যাচও খেলেছেন। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ে থেকে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান তিনি। হাটনের স্ত্রী ব্যালান্সের বাবার কাজিন। ব্যালান্স হাটনকে সব সময়ই ‘আংকেল’ বলে ডাকেন। হাটন জিম্বাবুয়ের কোচ হয়েই বলেছিলেন, তিনি ব্যালান্সকে জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার ব্যাপারে আমন্ত্রণ জানাবেন।

আইসিসির আইনে জাতীয় দল বদলে ফেলার আইন খুবই পরিষ্কার। কোনো পূর্ণ সদস্য (টেস্ট দল) দেশের হয়ে সর্বশেষ খেলার তিন বছরের মধ্যে নির্দিষ্ট খেলোয়াড় যদি আর না খেলেন বা খেলার সুযোগ না পান, তাহলে তিনি অন্য দেশের হয়ে খেলার আবেদন করতে পারবেন। ব্যালান্স ২০১৭ সালে সর্বশেষ ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন। এখন ব্যালান্স যদি অক্টোবরে ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পান, তাহলে জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার ব্যাপারটি ঝুলে যাবে।

গত বছর পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ইয়র্কশায়ার ক্রিকেটার আজিম রফিক ইয়র্কশায়ার কাউন্টি দলে বর্ণবাদী ঘটনার কথা উল্লেখ করে অভিযোগ আনেন। সেই অভিযোগে অনেকের সঙ্গে গ্যারি ব্যালান্সও অভিযুক্ত।

গত নভেম্বরে ব্যালান্স স্বীকার করেছিলেন, তিনি আজিম রফিককে উদ্দেশে বর্ণবাদী মন্তব্য করেছিলেন। তিনি অবশ্য এ জন্য নিজের অনুতাপও প্রকাশ করেছেন। তিনি ব্যাপারটিকে ‘অল্প বয়সের ভুল’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।

২০২৪ সাল পর্যন্ত ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে চুক্তি আছে ব্যালান্সের। জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিলে মোটামুটি মোটা অঙ্কের এই চুক্তি তাঁকে বাতিল করেই যেতে হবে।
জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তিনি ‘বিদেশি ক্রিকেটার’ হয়ে যাবেন। কাউন্টি ক্রিকেটের আইন অনুযায়ী প্রতিটি কাউন্টি দলে দুজনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার দলে খেলাতে পারে না।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন