আইসিসির মাসসেরা সাহিবজাদা ফারহান ও অরুন্ধতী রেড্ডি

আইসিসির মাসসেরা সাহিবজাদা ফারহান ও অরুন্ধতী রেড্ডি।আইসিসি

ফেব্রুয়ারি মাসটা দুর্দান্ত কেটেছিল পাকিস্তানি ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে পারফর্ম করেছেন ধারাবাহিকভাবে। তাঁর দল বিশ্বকাপের সুপার এইট থেকে বিদায় নিলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের সেই পুরস্কার এবার পেলেন ফারহান। ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস আর যুক্তরাষ্ট্রের শ্যাডলি ফন শালকভিককে পেছনে ফেলে ফেব্রুয়ারির আইসিসি ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

একই মাসে মেয়েদের ক্রিকেটে রাজত্ব করেছেন ভারতের পেসার অরুন্ধতী রেড্ডি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের হারিয়ে টি–টুয়েন্টি সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। শ্রীলঙ্কার হর্শিতা সামারাবিক্রমা ও পাকিস্তানের ফাতিমা সানাকে হারিয়ে মাসসেরার মুকুট পরেছেন এই ভারতীয় পেসার।

বিশ্বকাপে ৭টি ম্যাচ খেলে ৭৬.৬০ গড় আর ১৬০.২৫ স্ট্রাইক রেটে ফারহান করেছেন ৩৮৩ রান। বিরাট কোহলির এক আসরে সর্বাধিক রান করার রেকর্ডটা এখন তাঁর। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি সেঞ্চুরি করার প্রথম কীর্তিও গড়েছেন ফারহান। সেঞ্চুরি করার পথে নামিবিয়া আর শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর রীতিমতো স্টিমরোলার চালিয়েছেন তিনি। এমন পারফরম্যান্সের পর মাসসেরার ট্রফিটা যেন তাঁর ঠিকানাতেই লেখা ছিল।

সাহিবজাদা ফারহান
এএফপি

পুরস্কার পাওয়ার পর আপ্লুত  ফারহান আইসিসির ওয়েবসাইটে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, 'বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন সম্মান পাওয়া অবিশ্বাস্য অনুভূতির। যখন পুরো বিশ্ব তাকিয়ে থাকে, তখন ভালো করার আনন্দই আলাদা। এই ছন্দটা আমি ধরে রাখতে চাই।' সতীর্থদের ধন্যবাদ দিতেও ভোলেননি এই ওপেনার।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে অরুন্ধতীর শিকার ছিল ৮ উইকেট। প্রথম ম্যাচে ২২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ানদের। পরের দুই ম্যাচেও ছিলেন ধারাবাহিক—২/৩০ ও ২/৩৫। সিরিজে গড় ছিল ১০.৮৭, ইকোনমি ৭.২৫।। অরুন্ধতীর মতে, 'অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারানো কখনোই সহজ নয়। সামনে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মেয়েদের বিশ্বকাপ, এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।'