সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ড ভুগেছিল ভারতের ব্যাটিংয়ের কাছে। শুবমান গিলের ২০৮ রানের ইনিংসে ভর করে ভারত তুলেছিল ৩৪৯ রান। জবাবে মাইকেল ব্রেসওয়েলের ঝোড়ো সেঞ্চুরির পরও কিউইরা হেরে যায় ১২ রানে।

আজ দ্বিতীয় ম্যাচে সফরকারীদের ভুগিয়েছেন ভারতীয় বোলাররা। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামার পর মোহাম্মদ শামির প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই বোল্ড ফিন অ্যালেন। তখনো বোঝা যায়নি সামনে কী অপেক্ষা করছে। উইকেটের আচরণ বুঝতে রয়ে–সয়ে খেলার চেষ্টা করছিলেন হেনরি নিকোলস ও ডেভন কনওয়েরা।

তবে ৬ থেকে ১১—এই ৫ ওভারের মধ্যে এ দুজনের পাশাপাশি ড্যারিল মিচেল আর টম ল্যাথামের উইকেটও তুলে নেন হার্দিক পান্ডিয়া ও শার্দুল ঠাকুররা। মাত্র ১৫ রান তুলতেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন প্রথম ৫ ব্যাটসম্যান। নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে কম রানে ৫ উইকেট হারানোর ঘটনা। এর আগে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট হারিয়েছিল তারা ১৮ রানে।

অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে জুটি গড়েন ব্রেসওয়েল ও গ্লেন ফিলিপস। কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৪৮ বলে ৪১ রান যোগ করেন দুজনে। ব্রেসওয়েল ৩০ বলে ২২ রান করে ফেরার পর মিচেল স্যান্টনারকে নিয়ে আরেকটি থিতু হওয়া জুটি গড়েন ফিলিপস। এ জুটিতে আসে ৪৭ রান। পান্ডিয়ার বলে স্যান্টনার ৩৯ বলে ২৭ রান করে বোল্ড হওয়ার পর আবার হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে কিউই ইনিংস। ১৫ রানে প্রথম ৫ উইকেট হারানো দলটি শেষ চার উইকেট হারায় মাত্র ৫ রানে।

ভারতের পক্ষে ৬ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন শামি। ২টি করে উইকেট পান্ডিয়া ও ওয়াশিংটন সুন্দরের। রানতাড়ায় রোহিত ও শুবমানের উদ্বোধনী জুটিই তুলে ফেলেন ৭২ রান। এরপর রোহিতকে হেনরি শিপলি আর বিরাট কোহলিকে স্যান্টনার তুলে নিলেও বড় জয় পেতে সমস্যা হয়নি ভারতের। রোহিত ৫০ বলে ৫১ আর কোহলি ৯ বলে ১১ রান করেন। শুবমান ৫৩ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে মঙ্গলবার ইন্দোরে।