- পাকিস্তানের দেড় শ
- ফখরেরও ফিফটি
- রেকর্ড
- ফারহানের ফিফটি
- পাকিস্তানের ০!
- রেকর্ড
- পাওয়ার প্লেতে ৬৪/০
- পাকিস্তানের ৫০
- সতর্ক শুরু দুই ওপেনারের
- বাদ পড়লেন বাবর
- পাকিস্তানকে জিততে হবে ৬৪ রানে
- কোন দলের একাদশে কারা
- টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান
পাকিস্তানের দেড় শ
পাকিস্তান: ১৪ ওভারে ১৫০/০।
এখনও পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ১৪ ওভারে দেড় শয় পৌঁছে গেছে পাকিস্তান। ফারহান ৪৬ বলে ৬৮ আর ফখর ৩৮ বলে ৭৯ রানে ব্যাট করছেন। ফখর প্রথম দিকে কিছুটা কম রান তুললেও সর্বশেষ কয়েক ওভারে তাঁকে বেশি আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখা গেছে।
ফখরেরও ফিফটি
পাকিস্তান: ১২ ওভারে ১২৫/০।
ফারহানের পর ফিফটি করেছেন ফখরও। ভেল্লালাগেকে চার মেরে ২৭ বলে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম ফিফটি ছুঁয়েছেন এই বাঁহাতি।
রেকর্ড
এবারের বিশ্বকাপে ৪টি ফিফটি করলেন সাহিবজাদা ফারহান। বিশ্বকাপের এক আসরে এটিই সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২২ ও ২০১৪ আসরে বিরাট কোহলি, ২০২১ আসরে বাবর আজম এবং ২০০৭ আসরে ম্যাথু হেইডেন ৪টি ফিফটি করেছিলেন।
ফারহানের ফিফটি
পাকিস্তান: ৯ ওভারে ৯০/০।
ইনিংসের নবম ওভারের প্রথম বলে ডাবলস নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেছেন সাহিবজাদা ফারহান। ৩২ বলে করা ফিফটিটি এবারের আসরে তাঁর চতুর্থ। ফিফটির পথে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা মেরেছেন তিনি।
পাকিস্তানের ০!
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৪ রান করেছে পাকিস্তান। সেমিফাইনালে উঠতে হলে পাকিস্তানকে আজ জিততেও হবে ৬৪ রানে। মজা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, পাকিস্তানের স্কোর ৬ ওভারে ০/০। পরের ১৪ ওভারে যা তুলবে সেটাই মূল পুঁজি। ওটার মধ্যেই জিততে হবে।
রেকর্ড
২০১৪ বিশ্বকাপে ৩১৯ রান করে এত দিন বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের মালিক ছিলেন ভারতের বিরাট কোহলি। আজ তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন সাহিবজাদা ফারহান।
পাওয়ার প্লেতে ৬৪/০
ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারে ১০.৬৬ গড়ে রান তুলেছে পাকিস্তান। এর মধ্যে পঞ্চশ ও ষষ্ঠ ওভারে উঠেছে ১৩ করে মোট ২৬ রান।
এবারের বিশ্বকাপে এই প্রথম পাকিস্তান পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি। এখন পর্যন্ত ওঠা ৬৪ রান এবারের আসরের ওপেনিংয়ে তাদের সর্বোচ্চও।
দুই ওপেনারের মধ্যে ফারহানই অবশ্য বেশি মারমুখী। ২৫ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় করেছেন ৪০ রান। এই ইনিংসের পথে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন তিনি। পেছনে ফেলেছেন ২০১৪ আসরে বিরাট কোহলির ৩১৯ রান।
ফখর ব্যাট করছেন ১১ বলে ২৩ রানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে থিকশানা তাঁর ক্যাচ মিস না করলে অবশ্য ১৫ রানেই থামতে হতো।
পাকিস্তানের ৫০
পাকিস্তান: ৪.৪ ওভারে ৫০/০।
পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছে পাকিস্তান। ফারহান ২১ বলে ৩৫ এবং ফখর ৮ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন।
সতর্ক শুরু দুই ওপেনারের
পাকিস্তান: ২ ওভারে ১৬/০।
ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে কিছুটা সতর্ক দেখা গেছে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানকে। দুই পেসার মাদুশঙ্কা ও চামিরার ওভার দুটিতে একটি করে চার এসেছে।
বাদ পড়লেন বাবর
পাকিস্তানের বাঁচা–মরার ম্যাচে দল থেকে বাদ পড়েছেন বাবর আজম। ৪ ইনিংসে ৯১ রান করা এই ব্যাটসম্যানের জায়গায় দলে ঢুকেছে খাজা নাফি।
বাদ পড়েছেন ৫ ইনিংসে ৭০ রান করা সাইম আইয়ুবও। এ ছাড়া বোলিং আক্রমণের সালমান মির্জাকেও একাদশে রাখা হয়নি।
তাদের জায়গায় দলে ঢুকেছেন নাসিম শাহ ও আবরার আহমেদ। সব মিলিয়ে একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে জিততে হবে ৬৪ রানে
সুপার এইটের গ্রুপ টু থেকে আগেই সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। আরেকটি জায়গায় ওঠার লড়াই এখন নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে। আজ শ্রীলঙ্কাকে হারালে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড দুই দলের পয়েন্ট সমান ৩ হবে।
এই মুহূর্তে রান রেটে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে। তাদের ছাড়িয়ে যেতে পাকিস্তানকে আজ জিততে হবে বড় ব্যবধানে। পরে ব্যাট করলে ১৩.১ ওভারে রান তাড়া করতে হতো। তবে শ্রীলঙ্কা টসে জিতে আগে বোলিং বেছে নেওয়ায় পাকিস্তানের জন্য উপায় এখন অন্যটি—অন্তত ৬৪ রানে জেতা।
পাকিস্তান যে পরে ব্যাট করতে চেয়েছিল, সেটি টসের সময় অধিনায়ক সালমান আগা–ই বলেছেন। তবে টসভাগ্য যেহেতু পক্ষে থাকেনি, তার দলকে বড় চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে বোলিংয়ে। তার আগে ব্যাটিংয়ে পুঁজি জোগাড় করতে হবে যতটা সম্ভব বেশি।
কোন দলের একাদশে কারা
পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সালমান আগা (অধিনায়ক), খাজা নাফি, উসমান খান, শাদাব খান, মোহাম্মদ নেওয়াজ, শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, আবরার আহমেদ ও উসমান তারিক।
শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাতুম নিশাঙ্কা, কামিল মিশারা, চারিত আসালাঙ্কা, পবন রত্নায়েকে, কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), মহীশ তিকশানা, জানিত লিয়ানাগে, দুনিত ভেল্লালাগে, দুষ্মন্ত চামিরা ও দিলশান মাদুশঙ্কা।
টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান
পাল্লেকেলেতে টসে জিতেছেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দাসুন শানাকা। বেছে নিয়েছেন আগে বোলিং। যার অর্থ, প্রথমে ব্যাট করবে পাকিস্তান।
সুপার এইটে টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কার। তবে এখনও সেমিফাইনালের আশা বেঁচে আছে পাকিস্তানের।