বাংলাদেশের মিরাজ ২০২২ সালে মোট ১৫টি ওয়ানডে খেলেন। এর মধ্যে বল হাতে ২৮.২০ গড়ে নেন ২৪ উইকেট। ব্যাট হাতে নেমেছেন ১০ ইনিংসে। যেখানে একটি সেঞ্চুরি, একটি ফিফটিসহ রান ৩৩০, গড় ৬৬।

এবার মিরাজ একা হলেও ২০২১ সালের বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে বাংলাদেশের তিনজন ছিলেন। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মুশফিকুর রহিমরা।

এ বছরের বর্ষসেরা দলে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে অধিনায়ক বাবর খেলেছেন ৯ ম্যাচ। যার মধ্যে আটটিই ছিল পঞ্চাশোর্ধ্ব। ইনিংসপ্রতি ৮৪.৮৭ গড়ে মোট ৬৭৯ রান তুলেছেন ৩টি সেঞ্চুরিতে। অধিনায়ক হিসেবেও ছিলেন সফলতম। জিতেছেন ৯ ম্যাচের ৮টিতেই।

ওপেনার হিসেবে বাবরের সঙ্গী করা হয়েছে ট্রাভিস হেডকে। অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান ২টি সেঞ্চুরি, ৩টি ফিফটিসহ ৯ ম্যাচে মোট ৫৫০ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডানহাতি ব্যাটসম্যান শাই হোপ জায়গা পেয়েছেন ৩টি সেঞ্চুরিসহ ৭০৯ রান করে।

ভারতের তারকাবহুল ব্যাটিং লাইনআপ থেকে বর্ষসেরা দলে জায়গা করে নিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। ৪ নম্বরে খেলা এই ব্যাটসম্যান ১৭ ম্যাচে ৫৫.৬৯ গড়ে তুলেছেন ৭২৪ রান। নিউজিল্যান্ডের টম লাথামের গড়ও আইয়ারের কাছাকাছি—৫৫.৮০। ১৫ ম্যাচে ২ সেঞ্চুরি ও ২ ফিফটিতে মোট ৫৫৮ রান লাথামের। বর্ষসেরা দলের উইকেটকিপারও কিউইদের ওয়ানডে অধিনায়ক।

বর্ষসেরা দলে জিম্বাবুয়েতে জায়গা করে নিয়েছেন সিকান্দার রাজা। ব্যাট হাতে ৬৪৫ রান আর বল হাতে ৮ উইকেট নেন তিনি। রাজা আইসিসি বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশেও জায়গা পেয়েছেন।

বোলিংয়ে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি জোসেফ, ভারতের মোহাম্মদ সিরাজ, নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পা। ২০২২ সালে জোসেফ ১৭ ম্যাচে ২৭ উইকেট, সিরাজ ১৫ ম্যাচে ২৪ উইকেট, বোল্ট ৬ ম্যাচে ১৮ উইকেট ও জাম্পা ১২ ম্যাচে ৩০ উইকেট নেন।

বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ:

বাবর আজম (অধিনায়ক), ট্রাভিস হেড, শাই হোপ, শ্রেয়াস আইয়ার, টম লাথাম, সিকান্দার রাজা, মেহেদী হাসান মিরাজ, আলজারি জোসেফ, মোহাম্মদ সিরাজ, ট্রেন্ট বোল্ট ও অ্যাডাম জাম্পা।