শিশুধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইলেন নাজমুল–লিটনরা
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে সোচ্চার হয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।ফেসবুকে নাজমুলের ভেরিফায়েড পেজ থেকে আজ এ নিয়ে একটি পোস্ট করা হয়।
সেই শিশুর একটি স্কেচ ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘আমরা এমন এক সমাজ চাই, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদে হাসতে পারবে; ভয় নয়, স্বপ্ন নিয়ে বড় হবে। আর কোনো...জীবন যেন এভাবে থেমে না যায়। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আর দোষীদের এমন শাস্তি হোক, যা সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।’
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিমও নৃশংস এ ঘটনার বিচার চেয়েছেন ফেসবুকে। তাঁর ভেরিফায়েড পেজ থেকে একটি গ্রাফিকস ছবি পোস্ট করা হয়। সেই ছবির ওপরে লেখা, ‘আমরা...জন্য বিচার চাই।’
পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘আজ সকালে খবরটা শুনে স্তব্ধ হয়ে গেছি। ছোট্ট...নিরাপত্তা, ভালোবাসা আর আশ্রয় পাওয়ার কথা ছিল...এমন ভয়ানক নিষ্ঠুরতা নয়। এই নিষ্পাপ শিশুটির জন্য দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি। কোনো পরিবারকে যেন এমন কষ্ট সইতে না হয়। শিশুদের ওপর অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।’
বাংলাদেশের টি–টুয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে করা পোস্টে লেখা হয়, ‘কন্যাসন্তানের বাবা হিসেবে...খবরটি শোনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং মর্মন্তুদ। কোনো সমাজে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের সন্তানদের নিরাপদ পৃথিবী প্রাপ্য, যেখানে তারা কোনো ভয় ছাড়াই বড় হতে পারবে। যেকোনো অন্যায়ের সঠিক বিচার হওয়া প্রয়োজন...ক্ষেত্রে সেই বিচার হতে হবে অবিলম্বে। আমরা যখন...জন্য সমস্বরে ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছি, তখন আসুন স্পষ্টভাবে উচ্চকণ্ঠে বলি—এই ধরনের অপরাধে কঠোরতম শাস্তিই প্রাপ্য। আমরা আর কখনোই এমন কোনো ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না।’
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালও এ ঘটনার বিচার চেয়েছেন। তামিমের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গ্রাফিকস ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘...জন্য বিচার চাই।’
ঘোষণা: এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধিতে মামলা করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ভুক্তভোগীর নাম, পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করা যায় না। এ কারণে এই প্রতিবেদনে ক্রিকেটারদের পোস্টে শিশুটির নাম ঊহ্য রাখা হলো।