ভারতের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বয়স চুরির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ২০১৯ সালে এই অভিযোগে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রিকেটার রাশিক আলম দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন।

বিসিসিআইয়ের তরফ থেকেই বিবৃতিতে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়, ‘বিসিসিআইয়ের একজন স্বাধীন পর্যবেক্ষকের সামনে রাজ্যের নির্ধারিত এক্স-রে সেন্টারে পরীক্ষা (টিডব্লি৩) করা হয়। এরপর বিসিসিআই এভিপি বিভাগে এসব রিপোর্ট পাঠানো হয়। এভিপি বিভাগ সব তথ্য সংগ্রহ করে বিসিসিআইয়ের স্বাধীন একজন রেডিওলজিস্টের কাছে পাঠায়, তিনি হাড়ের বয়স বের করেন।’

এই প্রক্রিয়ায় ঝামেলাও আছে। বিসিসিআইয়ের ঠিক করা স্বাধীন রেডিওলজিস্ট মাত্র ৪ জন। ৩৮টি অ্যাসোসিয়েশনের খেলোয়াড়দের সঠিক বয়স বের করতে প্রতিটি রেডিওলজিস্টকে অন্তত ৮ থেকে ৯টি অ্যাসোসিয়েশনের কাজ করতে হয়। বিসিসিআইয়ের ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, ‘কনসালট্যান্টের ওপর কাজের কেমন চাপ, তার ওপর নির্ভর করে এক থেকে তিন-চার দিনের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ করতে দুই মাস লাগে।’

default-image

নতুন সফটওয়্যার প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা পরীক্ষামূলকভাবে কিছু এক্স-রে ডেটাব্যাংকে দিয়ে সন্তোষজনক ফল পেয়েছি। আমরা আরও প্রচুর এক্স-রে (অন্তত ৩৮০০) ব্যবহার করে পুরো সন্তুষ্টি অর্জন করতে চাই। সব অ্যাসোসিয়েশনই এর আওতায় থাকবে। প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি আমরা এই সফটওয়্যার আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করতে চাই।’

ভারতের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বয়স চুরির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ২০১৯ সালে এই অভিযোগে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রিকেটার রাশিক আলম দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ তারকা মনজোত কার্লার বিপক্ষেও বয়স চুরির অভিযোগ উঠেছে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন