আইসিসির ওয়েবসাইটে কলামে লিখেছেন, ‘এমসিজিতে গ্যালারিভর্তি দর্শকের সামনে ফাইনাল থেকে আমরা আর কিছুদিন দূরে আছি। এমসিজি আমার সবচেয়ে প্রিয় মাঠ।’

অস্ট্রেলিয়াকে দুবার বিশ্বকাপ জেতানো সাবেক এই অধিনায়ক ফিঞ্চ-ওয়ার্নারদের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছেন, ‘সত্যি, আমরা কেউ জানি না, মেলবোর্নের ফাইনালে কারা খেলবে। আমার আশা অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ থেকে ফাইনালে ওঠার রাস্তা তৈরি করে নেবে। দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিপজ্জনক লাগছে। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আমি যা বলেছি, সেই কথায়ই থাকতে চাই, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ফাইনাল হবে।’

ফিঞ্চ-ওয়ার্নাররা এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের সেরাটা এখনো দেখাতে পারেননি। ভারতও তাদের সেরা পেসার যশপ্রীত বুমরাকে ছাড়া এসেছে। কিন্তু পন্টিং মনে করেন, ফাইনালে ওঠার জন্য যেমন ক্রিকেট খেলা দরকার, তার সবকিছুই মজুত আছে এই দুটি দলে, ‘অস্ট্রেলিয়া প্রত্যাশামতো শুরু করতে পারেনি। ভারত দলেও যশপ্রীত বুমরা নেই। কিন্তু টুর্নামেন্টের এই দ্বিতীয় ভাগে সেরা ক্রিকেট খেলাটাই মূল বিষয়, আর এই পরিকল্পনা আছে দলগুলোর।’

এমসিজিতে লাখো দর্শকের সামনে ফাইনালের আশা করছেন পন্টিং। ‘বিগ জি’ খ্যাত এই মাঠে খেলার রোমাঞ্চটা স্মরণ করিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ জেতা এই কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান, ‘আমরা সেখানে বক্সিং ডে টেস্ট খেলেছি এবং লাখো দর্শকের সামনে দিয়ে মাঠে প্রবেশ করার স্মৃতি মনে আছে। যখন জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়, ঘাড়ের লোম দাঁড়িয়ে যায়। তখন নিজেকে অজেয় এবং কোনোকিছুই থামাতে পারবে না আমাকে-এমন মনে হয়।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে গত জুলাইয়ে ফাইনালে সম্ভাব্য দুই দল হিসেবে ভারত ও পাকিস্তানের কথাই বলেছিলেন পন্টিং। আইসিসির দ্য রিভিউ অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত ফাইনালে খেলবে। আমাকে বলতেই হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া তাদের হারাবে।’ দেখা যাক, পন্টিংয়ের হিসাব মেলে কি না!