পাকিস্তানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস–স্টার্ন নিয়মে ৩৩ রানে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সে ম্যাচে ৪৩ রানে পাকিস্তানের ৪ উইকেট তুলে নিয়ে বেশ চাপ তৈরি করেছিলেন প্রোটিয়া পেসাররা। এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা ভালো ছন্দেও আছেন।

আনরিখ নর্কিয়া ৪ ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে নর্কিয়াই সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন। ৩ ম্যাচে ৭ উইকেট লুঙ্গি এনগিডির। ৪ ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন পারনেল। কাগিসো রাবাদা সে তুলনায় ম্লান। এ পর্যন্ত ২ উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু এই চার পেসারের সমন্বয়ে দল হিসেবে ভালো করছে তারা।

পারনেল মনে করেন, চার পেসারের মধ্যে মনের মিল এবং নিজেদের মধ্যে খেলা নিয়ে আলোচনা তাঁদের একসূত্রে গেঁথেছে। ৩৩ বছর বয়সী এই পেসার আজ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নিজেদের মধ্যে আমরা ক্রিকেট নিয়ে কথা বলি, একসঙ্গে সময় কাটাই। ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসার পর এসব তো প্রায় উঠেই গেছে। ম্যাচের পরে আমরা ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে দেখি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাই। ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতেই গত জুনে ভারতে থাকতে আমরা এ বিষয়ে (হোয়াটসঅ্যাপ/সামাজিক যোগাযোমাধ্যম এড়িয়ে চলা) সিদ্ধান্ত নিই।’

সুপার টুয়েলভের পয়েন্ট তালিকার গ্রুপ ২–এ ৪ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ভারত। এই গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে এ দুটি দলই এগিয়ে। কালকের ম্যাচ নিয়ে পারনেল বললেন, ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ওরা ভালো দল। তবে আমরা নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারলে সেটা যথেষ্ট হবে বলেই মনে করি।’

বড় টুর্নামেন্টে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এসে হতাশ করার ‘বদভ্যাস’ আছে দক্ষিণ আফ্রিকার। যে কারণে ‘চোকার’ তকমা জুটেছে প্রোটিয়াদের। পারনেল তা স্বীকার করেই বললেন, ‘প্রথম ট্রফিটা জেতার পর আশা করি এটা মুছে যাবে। তার আগপর্যন্ত (অপবাদ) এটা থাকবে।’