উইকেটসংখ্যাটাকে ১০০-তে নামিয়ে আনলেও ১৯০০ সালের পর রাবাদার চেয়ে কম স্ট্রাইক রেট নেই আর কারও। সময়ের বিধিনিষেধটা তুলে নিলেও এই রাবাদার ওপরে থাকেন মাত্র একজনই—জর্জ লোহম্যান। উনিশ শতকের ইংলিশ মিডিয়াম পেসার ১৮ টেস্টের ক্যারিয়ারে ১১২ উইকেট নিয়েছিলেন ৩৪.১ স্ট্রাইক রেট। ১৮৯৬ সালে শেষ টেস্ট খেলা লোহম্যানের গড়েও ১০০ উইকেট নেওয়াদের মধ্যে সবার সেরা—১০.৭৫!

স্ট্রাইক রেটে টেস্টের সেরা পাঁচ বোলার

১৯০০ সালের পর (কমপক্ষে ১০০ উইকেট)

default-image

স্ট্রাইক রেটে লোহম্যানকে ছাড়িয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে গত ১২২ বছরের সেরা রাবাদা শেষ পর্যন্ত কত স্ট্রাইক রেট নিয়ে ক্যারিয়ার শেষ করবেন কে জানে। ২০১৫ সালে মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ার শুরু করা রাবাদার টেস্ট ক্যারিয়ারের শুরুটা আশা জাগানিয়া ছিল না। ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সিরিজে তিন ম্যাচে মাত্র ২ উইকেট পেয়েছিলেন রাবাদা। তিন ম্যাচ শেষে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৪৭.০। সেই রাবাদা ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্টে প্রথম ৫ উইকেট নেওয়ার পর স্ট্রাইক রেটটাকে নামিয়ে আনেন ৬৪.৯-এ। সেঞ্চুরিয়নে পরের টেস্টে ১০ উইকেটের দেখা পেয়ে যাওয়ার পর স্ট্রাইক রেটটা নেমে যায় ৩৯.৬-এ।

স্ট্রাইক রেটে সর্বকালের সেরা পাঁচ বোলার

(কমপক্ষে ১০০ উইকেট)

default-image

এই সময়ে যারা খেলছেন তাঁদের মধ্যে স্ট্রাইক রেটের এই হিসাবে রাবাদার ধারেকাছেও কেউ নেই। সবচেয়ে কাছে থাকা প্যাট কামিন্সের স্ট্রাইক রেট ৪৭.২। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ৪৩ টেস্টে পেয়েছেন ১৯৯ উইকেট। কামিন্সের পরেই আছেন ভারতের যশপ্রীত বুমরা (৪৮.৯)।

স্ট্রাইক রেটে এই সময়ের সেরা পাঁচ

(কমপক্ষে ১০০ উইকেট)

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন