- ৭৮ রানে ভাঙল উদ্বোধনী জুটি
- ফিফটি
- পাওয়ার প্লেতে রংপুরের ৫৫
- বাউন্ডারি
- রংপুরকে ১৭৪ রানের লক্ষ্য দিল নোয়াখালী
- ইসাখিলের সেঞ্চুরি
- ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নোয়াখালী
- অর্ধেক ওভারে পঞ্চাশও নয়!
- পাওয়ার প্লেতে ৩৩ রান
- দুই ওপেনারের ধীর শুরু
- টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নোয়াখালী
- নোয়াখালীর শেষ ম্যাচ
৭৮ রানে ভাঙল উদ্বোধনী জুটি
রংপুর রাইডার্স: ৮.১ ওভারে ৭৮/১। লক্ষ্য: ১৭৪।
নবম ওভারের প্রথম বলে রংপুরের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারল নোয়াখালী। জহির খানের বলে কাভারে ইসাখিলের দুর্দান্ত ক্যাচে আউট হয়েছেন ডেভিড ম্যালান। ৭৮ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ম্যালানের অবদান ১৭ বলে ১৫ রান।
নতুন ব্যাটসম্যান লিটন দাস।
ফিফটি
পাওয়ার প্লেতে রংপুরের ৫৫
রংপুর রাইডার্স: ৬ ওভারে ৫৫/০। লক্ষ্য: ১৭৪।
রান তাড়ায় চমৎকার শুরু পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। প্রায় একাই দলকে টানছেন তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ছয় ওভারে ৫৫ রান করেছে রংপুর, এর মধ্যে ২৬ বলে ৪৭ রানই হৃদয়ের। অন্য প্রান্তে ডেভিড ম্যালান খেলেছেন মাত্র ১০ বল, করেছেন ৭ রান।
বাউন্ডারি
রংপুরকে ১৭৪ রানের লক্ষ্য দিল নোয়াখালী
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ২০ ওভারে ১৭৩/২ (ইসাখিল ১০৭*, হায়দার ৪২*; আলিস ১/২২, নাহিদ ১/৪০)।
১৫ ওভার শেষে নোয়াখালীর রান ছিল ২ উইকেটে ৯৮। সেখান থেকে পরের পাঁচ ওভারে দলটি করেছে ৭৫ রান। যার মধ্যে ২৮ রানই আকিফ জাভেদের করা শেষ ওভার থেকে এসেছে।
শেষ দিকে নোয়াখালীর এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের মূল নায়ক হাসান ইসাখিল। আফগানিস্তানের এই ব্যাটসম্যান ইনিংস ওপেন করতে নেমে মাঠ ছেড়েছেন ৭২ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত থেকে। সাবেক আফগান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবীর এই ছেলে ফিফটি করতে খেলেছিলেন ৫০ বল, তবে পরের পঞ্চাশ করেছেন মাত্র ২০ বলে।
অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেট জুটিতে ইসাখিলকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন হায়দার আলী। পাকিস্তানের এই ব্যাটসম্যান ৩২ বলে ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
২ ওভারে ৩, ৬ ওভারে ৩৩ আর ১০ ওভারে ৪৭ রান থাকা নোয়াখালী শেষ দশ ওভারে করেছে ১২৬ রান।
ইসাখিলের সেঞ্চুরি
বিশতম ওভারে আকিফ জাভেদের প্রথম দুই বলে ছক্কা আর তৃতীয় বলে ডাবলস নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন হাসান ইসাখিল। ৭০ বলে ১০ ছক্কা আর ৪ চারে করা সেঞ্চুরিটি তাঁর টি–টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম।
বিপিএল ইতিহাসে কোনো আফগান ব্যাটসম্যানের প্রথম সেঞ্চুরি এটি, এবারের আসরে সব খেলোয়াড়ের মধ্যে দ্বিতীয়। প্রথমটি নাজমুল হোসেনের।
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নোয়াখালী
১৫ ওভার শেষে নোয়াখালীর রান ২ উইকেটে ৯৮। হাসান ইসাখালির পর হাত খুলেছেন হায়দার আলীও। সর্বশেষ ২ ওভারে দলটি তুলেছে ২৪ রান।
অর্ধেক ওভারে পঞ্চাশও নয়!
নোয়াখালী: ১০ ওভারে ৪৭/২।
রান তোলায় গতি প্রায় নেই–ই। ইনিংসের অর্ধেক ওভার খেলে ২ উইকেটে ৪৭ করতে পেরেছে নোয়াখালী। ইসাখিল ৩৮ বলে ৩০ আর হায়দার আলী ৫ বলে ২ রানে ব্যাট করছেন।
পাওয়ার প্লেতে ৩৩ রান
নোয়াখালী: ৬ ওভারে ৩৩/১।
পাওয়ার প্লেতে ওভারপ্রতি ৬ রানও তুলতে পারেনি নোয়াখালী। তবে এ সময়ে উইকেটও পড়েছে একটিই। এবারের আসরে প্রথমবার খেলতে নামা রহমত ১০ বলে ৯ রান করে নাহিদ রানার বলে মিড অফে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।
নতুন ব্যাটসম্যান জাকের আলী। সঙ্গে ইসাখিল।
দুই ওপেনারের ধীর শুরু
নোয়াখালী: ৪ ওভারে ১৫/০।
ফাহিম আশরাফের প্রথম ওভারে ১, আকিফ জাভেদের দ্বিতীয় ওভারে দুই আর আলিস আল ইসলামের চতুর্থ ওভারে ১ রান করতে পেরেছে নোয়াখালী। মাঝে শুধু নাহিদ রানার করা তৃতীয় ওভারটিতে উঠেছে ১১ রান।
সব মিলিয়ে প্রথম চার ওভারে মাত্র ১৫ রান তুলতে পেরেছে নোয়াখালী। ইসাখিল ১৯ বলে ১২, রহমত ৫ বলে ১।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নোয়াখালী
টসে জিতেছেন রংপুর অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি আগে বোলিং বেছে নিয়েছেন।
নোয়াখালীর হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমেছেন হাসান ইসাখিল ও রহমতউল্লাহ। রংপুরের হয়ে বল হাতে নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ।
নোয়াখালীর শেষ ম্যাচ
প্রথমবার বিপিএলে নাম লেখানো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের শেষ ম্যাচ আজ। আগেই লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে দলটির।
নোয়াখালীর প্রতিপক্ষ রংপুর রাইডার্স এরই মধ্যে প্লে–অফে জায়গা করেছে। আজ জিততে পারলে প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলার আশা থাকতে তাদের।