২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা শুরু করা আলিম দার ২০০২ সালে আইসিসির ইন্টারন্যাশনাল প্যানেলে যুক্ত হন। এর দুই বছর পর তাঁকে আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

দীর্ঘ আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারে ২০০৬ আইসিসি ট্রফি ফাইনাল, ২০০৭ ও ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ২০১০ ও ২০১২ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করেন। এর মধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত টানা তিন বছর আইসিসির বর্ষসেরা আম্পায়ার নির্বাচিত হন আলিম দার।

১৯ বছর পর এলিট প্যানেল থেকে সরে যাওয়ার কথা জানিয়ে আলিম দার বলেন, ‘লম্বা পথ পাড়ি দেওয়ার প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। এমন কিছু অর্জন করেছি, যা পেশাগত জীবনের শুরুতে স্বপ্নেও দেখিনি। যদিও আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হিসেবে আমি কাজ চালিয়ে যেতে চাই, তবু মনে হয়েছে, এলিট প্যানেল ছেড়ে দেওয়ার এটিই সময়।’

আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে নিয়োগ দিয়ে থাকেন আইসিসির এলিট আম্পায়ার সিলেকশন প্যানেল, বর্তমানে যার নেতৃত্বে আছেন আইসিসির ক্রিকেটবিষয়ক জেনারেল ম্যানেজার ওয়াসিম খান। আলিম দারের জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া হোল্ডস্টক এখন পর্যন্ত ৫ টেস্ট, ৪২ ওয়ানডে ও ৪৮টি টি–টোয়েন্টি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন। আর রাজা পরিচালনা করেছেন ৭ টেস্ট, ৪১ ওয়ানডে ও ৪৮টি টি–টোয়েন্টি।

২০২৩–২৪ মৌসুমে আইসিসি এলিট প্যানেলের আম্পায়ার যাঁরা

ক্রিস্টোফার গাফানি (নিউজিল্যান্ড), কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা), মারাইস এরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা), মাইকেল গফ (ইংল্যান্ড), নিতিন মেনন (ভারত), পল রাইফেল (অস্ট্রেলিয়া), রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ (ইংল্যান্ড), রিচার্ড কেটেলবোরো (ইংল্যান্ড), রডনি টাকার (অস্ট্রেলিয়া), জোয়েল উইলসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), আহসান রাজা (পাকিস্তান) ও আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

আইসিসিতে বাংলাদেশের আম্পায়ার কারা

আইসিসি এলিট প্যানেলে বাংলাদেশের কোনো আম্পায়ার নেই। তবে আম্পায়ারদের ইন্টারন্যাশনাল প্যানেলে আছেন চারজন। তাঁরা হচ্ছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ, তানভীর আহমেদ, মাসুদুর রহমান মুকুল ও গাজী সোহেল। আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১২টি দেশের সবারই ৪ জন করে আম্পায়ার ইন্টারন্যাশনাল প্যানেলে আছেন।