পাকিস্তানকে ৩৭টি টি–টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দেওয়া সরফরাজকে গত নভেম্বরের পর আর পাকিস্তান দলে ডাকা হচ্ছে না। এশিয়া কাপ টি–টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারের পাশে আরেকটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে যাওয়ার পর বিশ্বকাপে তাঁকে ফেরানোর সম্ভাবনা দেখেছিলেন অনেকে। ঘরোয়া টি–টোয়েন্টিতে খেলছিলেনও ভালো।

চলমান ন্যাশনাল টি–টোয়েন্টি কাপে সিন্ধের হয়ে ৯ ইনিংস ব্যাট করে ২০৯ রান করেছেন ৩৪.৮৩ গড়ে। ১৩১.৪৪ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন, অপরাজিত ৬২ রানের একটি ইনিংসও আছে।

default-image

কিন্তু বিশ্বকাপে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে হারিসকেই। খাইবার পাখতুনওয়ালার হয়ে খেলা হারিস ৮ ইনিংসে ১৪৭ রান করতে পেরেছেন ১৮.৩৭ গড়ে, স্ট্রাইকরেটেও সরফরাজের চেয়ে পিছিয়ে তিনি—১২৬.৭২। উপরন্তু সরফরাজের চেয়ে ব্যাটিংয়ের সুযোগও বেশি হারিসের। সরফরাজ খেলেন পাঁচ–ছয়ে, হারিস ওপেনিংয়ে।

পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পরও সরফরাজকে না নিয়ে হারিসকে নেওয়াটা সম্পূর্ণ পক্ষপাতিত্ব বলে মন্তব্য আজমলের। ৪৪ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার তাঁর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে আলাপ করতে গিয়ে বলেন, ‘রমিজ রাজার পছন্দে হারিসকে নেওয়া হয়েছে। রমিজ তাঁকে পছন্দ করেন বলে বিশ্বকাপে রাখা হয়েছে।’

পারফরম্যান্সে হারিসের তুলনায় এগিয়ে থাকায় সরফরাজকেই রিজার্ভ দলে রাখা যেত বলে মত আজমলের, ‘আপনি যদি পারফরম্যান্সকে বিচার করেন, তাহলে সরফরাজই এগিয়ে। তাঁকে রিজার্ভ টিমে রাখা যেত।’

default-image

আজমলের অভিযোগের এক দিন আগেই অবশ্য ‘সরফরাজ কেন নেই, হারিস কেন আছেন’ প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলেন পিসিবি প্রধান রমিজ। ‘পিসিবি ফ্যানস ফোরাম উইথ রমিজ’ অনুষ্ঠানে নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন এভাবে, ‘পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য সরফরাজের যে অবদান, তাতে ওকে বাদ দেওয়াটা কঠিন ছিল। তবে আমাদেরকে ভবিষ্যতের কথা ভাবতে হবে। সরফরাজের জায়গায় হারিসকে নেওয়া হয়েছে ভবিষ্যতের ভাবনাতেই।’

একপর্যায়ে দল নির্বাচনে নিজের দায়ও এড়ানোর চেষ্টা করেছেন রমিজ, ‘আমি তো প্রধান নির্বাচক নই। তবে হারিসকে দলে রাখার সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমার মতের মিল আছে, কারণ ও প্রতিভাবান ক্রিকেটার।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন