অনুষ্ঠানের উপস্থাপক বিষয়টির শুরু করেন এভাবে, ‘আমার মনে হয়, সাকিবের সঙ্গে অন্যায়ই হয়েছে। আপনারা কী মনে করেন?’ এর সূত্র ধরে পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার ও অধিনায়ক আকরাম বলেছেন, ‘আমি যখন রিপ্লেতে আলট্রা এজ দেখেছি, আমার কাছে মনে হয়েছে বল ব্যাটে লেগে অন্যদিকে ঘুরে গেছে। স্পষ্টই দেখা গেছে ব্যাট মাটিতে লাগেনি। ব্যাট আর পিচের মধ্যে স্পষ্ট ফাঁক ছিল।’

আকরাম এরপর যোগ করেন, ‘ক্রিকেটের সহজ ও সাধারণ নিয়ম এটা যে যখন কোনো সন্দেহ থাকবে, সিদ্ধান্ত ব্যাটসম্যানের পক্ষে যাবে। নিশ্চিত করেই বাংলাদেশিরা হতাশ হয়েছে। তাদের হতাশ হওয়ার যথেষ্ট কারণও আছে। এ ছাড়া এবারের বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং খুবই গড়পড়তা হয়েছে।’

আকরামের কথার প্রসঙ্গ টেনে মিসবাহ বলেন, ‘এটা সাধারণ জ্ঞান থেকেই বোঝা যায় যে বল কোথাও লেগে অন্যদিকে ঘুরে গেছে।’

ইনিংসের ১১তম ওভারে সৌম্য আউট হওয়ার পর উইকেটে আসেন সাকিব। পাকিস্তানের লেগ স্পিনার শাদাব খানের ওভারের পঞ্চম বলে তাঁর বিরুদ্ধে এলবিডব্লুর সিদ্ধান্ত দেন আম্পায়ার। সঙ্গে সঙ্গেই অবশ্য সাকিব রিভিউ নেন। টিভি রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা যায়, বল সাকিবের বুটে লাগার আগে ব্যাট স্পর্শ করেছে। কিন্তু মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন টিভি আম্পায়ার।

বিতর্কিত আউটের পর সাকিব বিস্ময় প্রকাশ করে মাঠে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিছুক্ষণ। আম্পায়ারের সঙ্গে এ নিয়ে তিনি কথাও বলেন। কিন্তু লাভ হয়নি কোনো।