১১ রান তাড়ায় দ্বিতীয় ওভারে বিক্রমজিত ফিরলেও ম্যাক্স ও’ডাউড ও বাস ডি লিডি ভালো শুরু এনে দেন। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে ১৮ বলে ২৩ রান করে জুনাইদ সিদ্দিকের বলে বোল্ড হন ও’ডাউড, তবে নেদারল্যান্ডস এগোচ্ছিল ভালোভাবেই। মাঝের ওভারগুলোতে অবশ্য চাপ তৈরির চেষ্টা করে আরব আমিরাত, কার্তিক মিয়াপ্পন ফেরান ডি লিডিকে। এরপর আয়ান খানকে সুইপ করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিলেন কলিন অ্যাকারম্যান।

তার আগপর্যন্ত ম্যাচে পরিষ্কার ফেবারিট ছিল নেদারল্যান্ডস, ওই উইকেটের পর একটু যেন আশা পায় আরব আমিরাত। তবে ১ ওভার পর যা হলো, তাতে ম্যাচের ফেবারিট হয়ে গেল আরব আমিরাতই! ১৪তম ওভার করতে এসেছিলেন জুনাইদ সিদ্দিক। প্রথম বলটি ছিল গুডলেংথে, সেখান থেকে ভেতরে ঢোকার পথে পরাস্ত করল টম কুপারের রক্ষণ।

কুপার এলবিডব্লুর সিদ্ধান্তটি রিভিউ করেননি, করলেও অবশ্য লাভ হতো না। ১ বল পর জুনাইদের ফুললেংথের বলে বোল্ড রোলফ ফন ডার মারওয়ে। এর ১ বল পর কাভারে সহজ ক্যাচ তুলেছিলেন প্রিঙ্গল। এর আগে দারুণ একটি ক্যাচ নেওয়া অধিনায়ক সিপি রিজওয়ান ফেলে দিলেন সেটিই! হয়তো ফেলে দেন ম্যাচটিই!

এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত অধিনায়ক সিপি রিজওয়ান, ‘রান তাড়া কঠিন’ হবে মনে হয়েছিল তাঁদের। তবে আগে ব্যাটিং করে শুরু থেকেই সুবিধা করতে পারেনি তারা। ইনিংসের কোনো পর্যায়েই ঠিক গতি পায়নি ব্যাটিং। শুরুতে সতর্ক থেকে উইকেট হাতে রেখে ডেথ ওভারে গিয়েছিল আরব আমিরাত, তবে ইনিংসের শেষ পর্যায়ে নেমেছে ধস।

পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট না হারালেও ৩১ রানের বেশি তুলতে পারেননি দুই ওপেনার চিরাগ সুরি ও মুহাম্মদ ওয়াসিম। নেদারল্যান্ডসকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন রোলফ ফন ডার মারওয়ে, সুইচ হিট করতে গিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ধরা পড়েন ২০ বলে ১২ রান করা সুরি। তাঁর উইকেটের পর নিজেদের আরও খোলসের ভেতর ঢুকিয়ে নেন ওয়াসিম ও কাশিফ দাউদ।

১১তম ওভারে প্রিঙ্গল ফেরান দাউদকে, ১৬তম ওভারে গিয়ে ফ্রেড ক্লাসেনের বলে ক্যাচ দেন ৪৭ বলে ৪১ রান করা ওয়াসিম। সে সময় আরব আমিরাতের রান ছিল ৯১। পরের ২৪ বলে ২০ রান করতে আরও ৫ উইকেট হারায় তারা।