‘বাংলাদেশকে ২-০–তে হারাতে চেয়েছিলাম’—বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে হ্যাজলউডের আক্ষেপ
এখন টেস্ট শুধু আর মান-মর্যাদার লড়াই নয়। আছে নানা সমীকরণের হিসাবও। আর যদি দলটার নাম হয় অস্ট্রেলিয়া, তাহলে তো কথাই নেই। বড় দল হিসেবে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার চাপ দলটির ওপর একটু বেশিই থাকে।
সেই অস্ট্রেলিয়া গত মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে হোঁচট খেয়েছে। সিরিজ হারেনি, তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট হার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা জশ হ্যাজলউডও বলছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে এমন ফল প্রত্যাশিত ছিল না। সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। টানা চার দিন দাপট দেখিয়ে টেস্ট জেতে বাংলাদেশ।
সিডনিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে হ্যাজলউড বলেন, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে ১-১ সমতা সম্ভবত আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফল ছিল না। আমরা অবশ্যই ২-০ চেয়েছিলাম। ডব্লুটিসিতেও (বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ) এই পয়েন্টগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই পয়েন্ট পাওয়া সব সময় আমাদের লক্ষ্য থাকে।’
ডারউইনে হারলেও ম্যাকাই টেস্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশকে প্যাট কামিন্সের দল হারিয়েছে ইনিংস ব্যবধানে দুই দিনের মধ্যে। হ্যাজলউডের কথাতে এসেছে ম্যাকাই টেস্টের প্রসঙ্গও, ‘বাংলাদেশ ডারউইনে শুরু থেকেই ভালো ক্রিকেট খেলেছে। এতে আমরা একটু চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। ম্যাচে ঢুকতে আমাদের একটু বেশি সময় লেগেছে। তবে ম্যাকাইতে আমরা কী করতে পারি, সেটি দেখিয়েছি।’
অস্ট্রেলিয়ার সামনে এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। অক্টোবরের ৯ তারিখ ডারবানে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। এরপর গেবেহা ও কেপটাউনে হবে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ। এরপর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
আর ডব্লুটিসি চক্রের শেষ সিরিজে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি খেলবে তারা। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ভারতে হবে সেই সিরিজ। অস্ট্রেলিয়ার টানা তৃতীয় ডব্লুটিসি ফাইনালে ওঠার পথে সেটিই হতে পারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিল আছে সবার ওপরে। ১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ৮০ শতাংশ পয়েন্ট তাদের।