এর আগে গত সোমবার কাঠমান্ডু ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় লামিচানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগপত্রে ২২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে নেপালের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ১০ থেকে ১২ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার কথা লামিচানের। অভিযোগপত্র দায়েরের পর তাঁর ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। আদালতের শুনানিতে বাদীর পক্ষে ছিলেন ৪ আইনজীবী। আর লামিচানের পক্ষে ছিলেন ৪ জন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ মোট ১০ জন। দাহাল বলেন, ‘সরকারপক্ষের বক্তব্য বুধবারের ভেতরেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু লামিচানের আইনজীবী বেশি হওয়ায় আটকাদেশের শুনানি দীর্ঘায়িত হয়।’

লামিচানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলাটি হয় গত ৬ সেপ্টেম্বর। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) খেলতে লামিচানে তখন ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোয় ছিলেন। পরদিন কাঠমান্ডু ডিস্ট্রিক্ট আদালত লামিচানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব নেপাল (সিএএন) তাঁকে দলের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়।

একপর্যায়ে তাঁকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে নোটিশও জারি করে নেপাল পুলিশ। গত ৬ অক্টোবর ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দেশে ফিরলেন লামিচানে। কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার পরই তাঁকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ৪ দফায় মোট ১৬ দিন রিমান্ডে রাখা হয় তাঁকে।

মামলার অভিযোগপত্রে বাদী উল্লেখ করেন, ভক্ত হিসেবে স্ন্যাপচ্যাটে যোগাযোগের সূত্রে লামিচানের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব হয়। এরপর দুই দফায় ধর্ষণের শিকার হন তিনি। আদালতের শুনানিতে লামিচানের আইনজীবীরা বলেন, মেয়েটির ইচ্ছাতেই ঘুরতে বের হয়েছিলেন তাঁরা। আর অভিযোগকারীর বয়সও ১৭ নয়, ১৯ বছর।