default-image

ধীরলয়ের ব্যাটিংয়ের কড়া সমালোচনা করতে গিয়ে দলের প্রতি ব্যাটসম্যানদের নিবেদন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি, ‘এখানে আমাদের জেতাটাই স্বাভাবিক ছিল। হারটা ছিল অস্বাভাবিক। আমরা জানি যে ওভারে আমাদের ১০-১২ করে লাগবে। কেউ দেখলাম যে একটাও ছয় মারার চেষ্টা করছে না। সবাই ২-১ করে নিচ্ছে। আমি একটা স্কোর করে নিজের জায়গাটা ঠিক রাখলাম, এটা কি ওই ধরনের কিছু কি না, আমি ঠিক জানি না। আপনি যদি ১০০ স্ট্রাইক রেটে খেলেন, তাহলে এখানে রান তাড়া করে জিততে পারবেন না। একজন-দুজনকে তো শট খেলতে হবে। ওদের দুজন ব্যাটসম্যানের স্ট্রাইক রেট দেখুন। এখানে ভিন্ন কিছু করার প্রয়োজন ছিল না। শর্ট বলকে যদি পুল করে ছক্কা মারার আত্মবিশ্বাস না থাকে, তাহলে তো মুশকিল।’

default-image

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়েও ফল পাচ্ছে না বাংলাদেশ। মাহমুদের হতাশার আরেকটি কারণ সেটি, ‘যাদের নেওয়া হয়েছে তারা সবাই ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করা ক্রিকেটার। সবাই পারফর্ম করেই এখানে এসেছে। মুনিম শাহরিয়ারের যদি কথা বলেন, পারভেজের কথা বলেন, দুজনই লোকাল টি-টোয়েন্টিতে পারফর্ম করা ক্রিকেটার। আপনি সেরা পারফর্মারদেরই তো নিয়ে এসেছেন। তারা যদি পারফর্ম না করে তাহলে কী আর করার থাকে!’

সুযোগও যে কম দেওয়া হচ্ছে, তা–ও নয়। হুট করে কাউকে দলে নিয়ে তাঁকে এক ম্যাচ খেলিয়ে বাদ দেওয়ার ঘটনা এখন খুব কমই দেখা যায় বাংলাদেশ ক্রিকেটে। যাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়, তাঁকে নিজেকে প্রমাণের জন্য কমপক্ষে ৫-৬ ম্যাচ খেলানো হয়। মুনিম শাহরিয়ারকে যেমন ৫টি টি-টোয়েন্টি খেলানোর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবু পারফর্ম না করলে কী করণীয়, সে প্রশ্নের উত্তরটা মাহমুদ ক্রিকেটারদেরই দিতে বলছেন, ‘করণীয়টা কী এটা ক্রিকেটাররাই বলতে পারবে। এমন না যে ছেলেরা এখন দলে আসছে আর যাচ্ছে। তারা একটা সময়ের জন্য সুযোগ পাচ্ছে। তারা জানে যে তাদের জায়গা নিয়ে এত কাড়াকাড়ি নেই। তাদের ঠিকঠাক সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এমন অবস্থায় তো মন খুলে খেলা উচিত। আমি ওই মন খুলে খেলাটা দেখতে পাচ্ছি না।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন