২০৮ বলে মাহিদুলের ৪৮, দক্ষিণ আফ্রিকায় ম্যাচ বাঁচাল বাংলাদেশ ‘এ’
একটা সময় মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল ইনিংস ব্যবধানে ম্যাচ হারবে। প্রথম ইনিংসেই তারা পিছিয়ে পড়েছিল ২৮০ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে ফলো অন না করাতেই কেটেছে সেই শঙ্কা। তবে ম্যাচ হারার শঙ্কাটা ছিলই। ৪১০ রানের লক্ষ্য ছুঁতে নেমে ৭০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশের দলটি। তবে শেষদিনে মাহিদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম ও নাঈম হাসানের দৃঢ়তায় চার দিনের ম্যাচটি ড্র করেছে বাংলাদেশ।
পচেফস্ট্রুমে প্রথম ইনিংসে মোদেরি লিথেকো ও মিচেল ভ্যান বুয়েনের সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ৫১৯ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল। এই ইনিংসে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন ইকবাল হোসেন। ১৬ ওভার বল করে ১ মেডেনসহ ৭৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন এই পেসার।
বোলিংয়ের মতো ব্যাট হাতেও প্রথম ইনিংসে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২৩৯ রানে অলআউট। ২২৪ বল খেলে সর্বোচ্চ ৯৭ রান করেন মাহিদুল ইসলাম। ফিফটি পান তিন নম্বরে খেলতে নামা ইফতেখার হোসেন—১১১ বল খেলে ৫০ রান করেন।
বাংলাদেশকে ফলোঅন না করিয়ে ২৮০ রানে এগিয়ে থেকে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। এই ইনিংসেও প্রোটিয়াদের ৪উইকেটের ৩টিই নেন পেসার ইকবাল হোসেন।
বাংলাদেশের সামনে ৪১০ রানের বড় লক্ষ্য দাঁড়ায়। এত বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৭০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। কিন্তু এরপরই দলের হাল ধরেন মাহিদুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম।
২০৫ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়েন তারা দুজন। ১৪৭ বল খেলে ৭৪ রান করে আমিনুল আউট হন। পরে মাহিদুলের সঙ্গী হন নাঈম। দুজন মিলেই চতুর্থ দিনের বাকি সময়টা পার করে দেন। ২০৮ বল খেলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহিদুল। ৭৯ বল খেলে ৪৯ রান করেন নাঈম হাসান।