ছয়ে মিল শাহাদাত–রফিক–সাকিবের

বাংলাদেশ–দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট লড়াইয়ে ইনিংসে ৬ উইকেট পেয়েছেন শুধু বাংলাদেশের তিন বোলার শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ রফিক ও সাকিব আল হাসানফাইল ছবি
বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ইতিহাস যতই একতরফা হোক, একটা ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করতে পারে বাংলাদেশ। ইনিংসে সেরা বোলিংয়ের সেরা পাঁচের তালিকায় প্রথম তিনটি নামই বাংলাদেশের বোলারদের। শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ রফিক ও সাকিব আল হাসান—বাংলাদেশের এই তিন বোলারের ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব আছে। দক্ষিণ আফ্রিকার দুজন বোলারের ম্যাচে ১০ উইকেট থাকলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংসে ৬ উইকেট পাননি কেউ। দুই দলের টেস্ট ইতিহাসে ব্যক্তিগত রেকর্ডগুলো—

বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট লড়াইয়ে শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের চারজনই দক্ষিণ আফ্রিকার। শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি মুশফিকুর রহিম।

টেস্টে দুটি দেশের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সেঞ্চুরি নেই—আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। আফগানদের বিপক্ষে মাত্র একটি টেস্ট খেললেও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ১২টি টেস্ট খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২০১৭ সফরে মুমিনুল হকের ৭৭। অন্যদিকে চারটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ প্রোটিয়াদের সেঞ্চুরি ১৯টি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দুটি ইনিংস খেলা গ্রায়েম স্মিথ ও নিল ম্যাকেঞ্জি ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে ওপেনিং করতে নেমে গড়েছিলেন ৪১৫ রানের বিশ্ব রেকর্ড।

উইকেট শিকারিদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশে মাত্র একজনই-শাহাদাত হোসেন। ১৫ উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসোর রাবাদার সঙ্গে পঞ্চম স্থানটা ভাগাভাগি করছেন এই পেসার।

প্রথম তিনজনই বাংলাদেশের—দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুধু ইনিংস-সেরা বোলিংয়ের তালিকাতেই বাংলাদেশের আধিপত্য। ২০০৮ সালে মিরপুরে শাহাদাতের ২৭ রানে ৬ উইকেট, টেস্টে বাংলাদেশের কোনো পেসারের সেরা বোলিং হয়ে আছে এখনো।

সেরা পাঁচে বাংলাদেশের একজনই বোলার—শাহাদাত হোসেন। ইনিংস-সেরা বোলিংয়ের মতো টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের ম্যাচসেরা বোলিংও ২০০৮ মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে করেছেন শাহাদাত।

বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিমের। আট ম্যাচ খেলে চার দক্ষিণ আফ্রিকানের সঙ্গে রেকর্ডটা ভাগাভাগি করছেন মুশফিক।