আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদে ৫ পয়েন্ট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তবে র্যাঙ্কিং ক্রমে অবস্থানের কোনো নড়চড় হয়নি বাংলাদেশের। মুমিনুল হকের দল আগের মতোই আছে নবম স্থানে। র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পাওয়া ১০ দলের মধ্যে বাংলাদেশের নিচে আছে শুধু জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের চেয়ে ৯ পয়েন্ট পেছনে দলটি। তবে বার্ষিক হালনাগাদে ৮ পয়েন্ট বেড়েছে জিম্বাবুইয়ানদের। পর্যাপ্ত টেস্ট না খেলায় র্যাঙ্কিংয়ে জায়গা হয়নি আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের।
বার্ষিক হালনাগাদে প্রথম দুটি স্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলা দুই দল ভারত ও নিউজিল্যান্ড ধরে রেখেছে প্রথম দুটি স্থান। শীর্ষ দল ভারতের পয়েন্ট বেড়েছে ১, দ্বিতীয় স্থানের নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট বেড়েছে ২টি।
গত মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয় এগিয়ে রেখেছে ভারতকে। নিউজিল্যান্ডকে র্যাঙ্কিং ক্রম ধরে রাখতে সাহায্য করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়।
হালনাগাদ হওয়া র্যাঙ্কিংয়ে ২০২০ সালের মে মাস থেকে অনুষ্ঠিত সব টেস্ট ম্যাচের হিসাবের ১০০ ভাগ নেওয়া হয়েছে। এর আগের দুই মৌসুমের হিসাবের ৫০ ভাগ যোগ হয়েছে হালনাগাদে। বাদ দেওয়া হয়েছে ২০১৭-১৮ মৌসুমের সব ম্যাচ।
যোগ-বিয়োগের এই খেলায় অস্ট্রেলিয়াকে চারে ঠেলে তিনে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। ২০১৭-১৮ মৌসুমের হিসাব বাদ যাওয়াতেই লাভ হয়েছে ইংলিশদের। ওই মৌসুমে অ্যাশেজে ৪-০ ব্যবধানে হেরেছিল ইংল্যান্ড। হালনাগাদে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট বেড়েছে ৩টি, অস্ট্রেলিয়ার কমেছে ৫টি।
সর্বশেষ র্যাঙ্কিংয়ে ৩ পয়েন্ট বাড়লেও পাকিস্তান আছে আগের মতোই পঞ্চম স্থানে। এরপরই আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নাম। এ বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জেতা ক্যারিবীয়রা আট থেকে উঠে এসেছে ছয়ে। ২০১৩ সালের পর র্যাঙ্কিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এটিই সেরা অবস্থান।
৯ পয়েন্ট খোয়ানো দক্ষিণ আফ্রিকা নেমে গেছে সাতে। র্যাঙ্কিং ইতিহাসে টেস্টে প্রোটিয়াদের এটাই সর্বনিম্ন অবস্থান। দক্ষিণ আফ্রিকানদের পরেই আছে ৫ পয়েন্ট খোয়ানো শ্রীলঙ্কা। তবে নবম স্থানের বাংলাদেশের চেয়ে ৩২ পয়েন্ট এগিয়ে লঙ্কানরা।