বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জার্সি কিনতে চান?

বাংলাদেশ দল রওনা হয়ে যাচ্ছে ১ মে। তবে এখনো উন্মোচন করা হয়নি বিশ্বকাপের জার্সি। তবে জার্সি নিয়ে দুটি সংবাদ সম্মেলন এরই মধ্যে করে ফেলেছে বিসিবি
বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ জার্সি নিয়েই দুটি সংবাদ সম্মেলন হয়ে গেল। প্রথমটি ছিল গত ২৫ মার্চ। আজও হলো আরেকটা। কিন্তু বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের জার্সিটা কেমন হবে, সেটিই দেখাতে পারেনি বিসিবি। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জার্সি দেখাতে আরও একটা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। পরশুর সেই সংবাদ সম্মেলনে সেই জার্সি উন্মোচন হওয়ার কথা।
২৫ মার্চ জানানো হয়েছিল, ২০১৯ বিশ্বকাপের জার্সি বিক্রির স্বত্ব পাচ্ছে কারা। আজ গুলশানের ক্রিকেটার্স কিচেন রেস্তোরাঁয় জানানো হলো, কারা বিক্রি করবে এই জার্সি। তবে এই অনুষ্ঠানেও জার্সি উন্মোচন করা হয়নি। বিশ্বকাপের জার্সি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে কৌতূহল থাকে। সেই কৌতূহল আপাতত মিটল না। সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে চক্ষুকর্ণের বিবাদ ভঞ্জন হবে বলেই আশা। তখন থেকে অফিশিয়াল জার্সি কেনাও যাবে।

বিসিবি মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘যেদিন উন্মোচন করা হবে এর পর থেকে বাজারে পাওয়া যাবে টিমের জার্সি। আগে কখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জার্সি বিক্রির অনুমোদন দেয়নি । এই প্রথম টিম জার্সি বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা দেখেছি দেশে ক্রিকেট একটা আবেগে পরিণত হয়েছে। সামনে বিশ্বকাপ, এক বছরের জন্য এটির বিপণন করার দায়িত্ব স্পোর্টস অ্যান্ড স্পোর্টজকে দেওয়া হচ্ছে। আগে বিভিন্ন দোকানে বা ফুটপাতে জার্সির রেপ্লিকা পাওয়া যেত। এবারও অবশ্য হুবহু জার্সি পাওয়া যাবে না। তবে বাংলাদেশ দলে যেটা পরে খেলবে, সেটার কাছাকাছি হবে।’
বাংলাদেশ দলের জার্সির দাম রাখা হয়েছে ১১৫০ টাকা। মূল জার্সির পাশাপাশি অ্যাওয়ে জার্সিসহ অনুশীলন জার্সি পাওয়া যাবে নির্ধারিত দোকানে। ফ্যাশন হাউস অঞ্জনস ও জেন্টলপার্কের প্রায় শতাধিক আউটলেটে বিক্রি হবে বাংলাদেশ দলের জার্সি। অনলাইনে বিক্রি করবে ক্রিকশপ বিডি ও জার্সি ফ্রিক বিডি। ডিমানির অ্যাপ ব্যবহার করেও কেনা যাবে জার্সি। আর সারা দেশে জার্সি ছড়িয়ে দিতে আলাদাভাবে কাজ করবে রবিন স্পোর্টস। প্রবাসী দর্শকদের কথা ভেবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে জার্সি বিক্রির পরিকল্পনা আছে স্পোর্টস অ্যান্ড স্পোর্টজের।