যে পরিশ্রমটা কেউ দেখে না, সেটিই কার্তিকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ

পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন দিনেশ কার্তিকছবি: বিসিসিআই

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে কাল কী দারুণ খেলেই না জেতালেন দিনেশ কার্তিক। যদিও জয়ের কৃতিত্বটা কার্তিককে ভাগাভাগি করতে হচ্ছে শাহবাজ আহমেদের সঙ্গে, তারপরও এমন ইনিংসের প্রশংসা করতেই হয়। দলের প্রয়োজনে প্রায়ই এমন ইনিংস খেলেন কার্তিক। রাজস্থানের বিপক্ষে দলের বিপদে ২৩ বলে তাঁর ৪৪ রানের ইনিংসটি তাই নতুন কিছু নয়।

গত দুটি আইপিএল মোটেও ভালো যায়নি দিনেশের। ২০২০ ও ২০২১ সালে ব্যাট কথা বলেনি তাঁর। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়কত্বও হারান। সব মিলিয়ে এবার ভেতর থেকে ‘দেখিয়ে দেওয়া’র তাড়না কাজ করছিল কার্তিকের মধ্যে। আইপিএলের শুরু থেকে সেটিই করে যাচ্ছেন ছোট সংস্করণের দুর্দান্ত এই ‘ফিনিশার’। তিন ম্যাচে করে ফেলেছেন ৯০ রান। স্ট্রাইকরেট ২০৪.৫৫!

সাদা বলের ক্রিকেটে এখন পুরোপুরি মনোযোগী দিনেশ কার্তিক
ছবি: বিসিসিআই

কার্তিকের ঘুরে দাঁড়ানোর মূলে পরিশ্রম। কাল বেঙ্গালুরুকে জিতিয়ে সেটিই জানালেন তিনি। তাঁর মতে এমন পারফরম্যান্সের পেছনে ক্রিকেটারদের যে পরিশ্রম, সেটির সবটা বাইরের লোকের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়, ‘অনুশীলনের সময় প্রচুর মানুষ থাকেন। সবাই দেখেন, একটা খেলোয়াড় পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সে বিভিন্নভাবে অনুশীলন করছে। কিন্তু এর বাইরেও অনেক কিছু রয়ে যায়, যেগুলো সবাই দেখতে পায় না। ওটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।’

দিনেশের মতে অনুশীলনের বাইরেও অনেক কিছু থেকে যায়, যা দেখা যায় না
ছবি: বিসিসিআই

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট ঘিরেই কার্তিকের সব মনোযোগ। ভারতীয় ক্রিকেট দলে ফেরার স্বপ্নটা এখনো দেখেন। কিন্তু সেটি যে কঠিন, তা মানেন। তবে আইপিএলে যত দিন খেলবেন, মাথা উঁচু করেই খেলে যেতে চান, ‘ইদানীং সচেতনভাবেই সাদা বলে বেশি ক্রিকেট খেলছি। চার দিনের ক্রিকেট আর খেলি না। ম্যাচের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে সে কারণে। তাই অনুশীলন দিয়ে শূন্যতাটা পূরণ করতে হয়। ম্যাচে বিভিন্ন পরিস্থিতির জন্য নিজেকে তৈরি করতে হয়। দলের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ–সুবিধা আছে। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই মূলত প্রস্তুতিটা নেওয়া হয়, সেটিই মূল। আমি সবকিছুরই কৃতিত্ব দিতে চাই সেই অনুশীলনকে।’