দেশে ফিরতে হচ্ছে শরীফুল-তাসকিনকে
চোটের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে দেশে ফিরতে হচ্ছে বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামকে। ৫ এপ্রিল তাঁর দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস।
আরেক পেসার তাসকিন আহমেদেরও দেশে ফিরতে হওয়ার শঙ্কা ছিল। তাঁকেও লড়তে হচ্ছে চোটের সঙ্গে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিবৃতি শঙ্কাটাকেই সত্যি করেছে। কিছুক্ষণ আগে বিসিবি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তাসকিন ও শরীফুল দুজনই দেশে ফিরছেন। ৭ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে দুজনকেই পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল।
আজ সন্ধ্যায় জালাল ইউনুস দুই পেসারকে নিয়ে প্রথমে বলেছিলেন, ‘শরীফুল ৫ তারিখ ফিরবে এটা নিশ্চিত। তাসকিনের পরিস্থিতি বুঝে তাকেও ফেরানো হতে পারে। (দ্বিতীয় টেস্টে) তার না খেলার সম্ভাবনাই বেশি।’
এর কিছুক্ষণ পরই এসেছে বিসিবির বিবৃতি। সেখানে জানানো হয়, তাসকিনের ডান কাঁধে চোট, তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে। শরীফুলের চোট বাঁয়ের অ্যাঙ্কেলের লিগামেন্টে।
চোটের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজের প্রথম টেস্টেও খেলা হচ্ছে না শরীফুলের। সেরে উঠলে পোর্ট এলিজাবেথে দ্বিতীয় টেস্ট খেলবেন, এমনই ছিল আলোচনা। কিন্তু চোটের উন্নতি হয়নি।
তাসকিনের ডান কাঁধে ব্যথা ডারবান টেস্টের প্রথম ইনিংসের পর থেকেই। প্রথম ইনিংসে ২৩ ওভার বল করে ৬৯ রানে কোনো উইকেট পাননি তাসকিন, গতিও কমে এসেছিল। বাংলাদেশ দলের দ্বিতীয় ইনিংসে তাসকিনের বল করার কথা ছিল না।
তবু ঝুঁকি নিয়ে পাঁচ ওভার বল করেছেন, আউট করেছেন ভালো খেলতে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ডিন এলগারকে। এরপর আবার কাঁধের ব্যথায় তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়। যদিও একটু আগে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে আবার বোলিং করেছেন তাসকিন।
বিসিবির বিবৃতিতে জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম বলেছেন, ডারবান টেস্টের দ্বিতীয় দিনে চোট পাওয়া তাসকিনকে ‘ফিজিওথেরাপি, সাপোর্টিং টেপিং ও পেইনকিলার দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করতে পারেন। তাঁর সেরে উঠতে তিন সপ্তাহের মতো লাগতে পারে।’
আর শরীফুল? ‘এরই মধ্যে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তিনি, এই মাসের শেষ দিকে অনুশীলন শুরু করতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে’—বলেছেন বায়েজিদুল।