আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সে আভাসই দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ক্যালেন্ডারে সময় নেই। এক বছরে ৩৬৫ দিন, আইসিসি ইভেন্টের মাধ্যমে অনেক ক্রিকেট খেলা হচ্ছে, দ্বিপক্ষীয় সিরিজও আছে। টি-টোয়েন্টি লিগের চাপও আছে। আমরা কি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হারানোর খুব কাছে আছি? আমি নিশ্চিত নই।’

default-image

সদস্যদেশগুলোকে দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন বার্কলে, ‘এই বিষয়টা সদস্যদের সমাধান করতে হবে। অতিরিক্ত ক্রিকেটের চাপ তো বাড়ছেই। সব খেলা ক্যালেন্ডারে জায়গা দেওয়া কঠিন। এই বিষয়টি আইসিসির দেখার নয়। তবে সদস্যদের এর মধ্যেও সময় বের করা চ্যালেঞ্জিং হবে, সেটা আমি বুঝতে পারছি।’

ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে বার্কলের সংবাদ সম্মেলনে। ক্রিকেট বোর্ডগুলোর প্রতি বার্কলের বার্তা, ‘ক্রিকেটারদের বিষয়টিও তাদের ভাবতে হবে। যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলতে হচ্ছে, সেই চাপের কথাও ভাবতে হবে। সুতরাং কিছু পরিবর্তন তো আনতেই হবে।’

ক্রিকেট বোর্ডগুলো আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনায় নিজ নিজ টি-টোয়েন্টি লিগের জন্য সময় নিশ্চিত করে রেখেছে। সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও থাকছে তাতে। তাতে অতিরিক্ত ক্রিকেটের সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইচ বলছিলেন, ‘সদস্যদেশগুলো নিজেদের ঘরোয়া লিগের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলোও খুব শক্তিশালী মনে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সব দলকেই এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনতে হবে। কিন্তু সব দলের আবার সমস্যা এক নয়। তাই সবার জন্য একটা নির্দিষ্ট সমাধান দেওয়াও কঠিন।’

আলোচনাটা বেশি হছে ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য আইসিসির চলমান বাছাইপ্রক্রিয়া ওয়ানডে সুপার লিগ থাকছে না। তাই ওয়ানডে ক্রিকেট গুরুত্বও হারাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনার খসড়ায় সে আভাস মিলছে না। আইসিসির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘আমরা কাঠামো নিয়ে কথা বলেছি। তিন সংস্করণের খেলা নিয়ে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন মত দেখা গেছে। এই মুহূর্তে ওয়ানডে ক্রিকেটের সংখ্যায় তেমন পরিবর্তন আসার কথা না।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন