বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আশির দশকের শেষ দিকে সেরা সময় কাটিয়েছে নাপোলি। ইতালিয়ান ফুটবলের শীর্ষ ক্লাব হিসেবে উঠে আসে নেপলসের দলটি। এর অন্যতম কারণ ম্যারাডোনা। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১-এ সময় পর্যন্ত নাপোলি থেকে ক্লাবটিকে সেরাদের কাতারে তুলে এনেছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

সে সময় নাপোলিতে ম্যারাডোনার খুব অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন ফেরারা। মাঠের বাইরেও ম্যারাডোনার মৃত্যুর আগপর্যন্ত টিকেছে তাঁদের বন্ধুত্ব। ৫৪ বছর বয়সী ফেরারা তাঁর বন্ধুকে নিয়ে একটি বইও লিখেছেন ‘হো সিন ডিয়েগো।’ নাপোলিতে ম্যারাডোনার কাটানো দিনগুলির গল্প আছে এ বইয়ে।

default-image

আজ ম্যারাডোনার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছর আজকের দিনে অনন্তলোকে যাত্রা করেন ’৮৬ বিশ্বকাপ কিংবদন্তি। ফেরারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও আপলোড করা হয় ম্যারাডোনার মৃত্যুবার্ষিকীকে স্মরণ করে।

সে ভিডিওতে ফেরারা তাঁর প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে কল্পিত কথোকথনে অংশ নেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে স্নিগ্ধ সঙ্গীতের পাশাপাশি ফেরারার কথাগুলোও মনে দাগ কেটে যাবে ফুটবল সমর্থকদের।

প্রায় ৫ মিনিটব্যাপী এ ভিডিওতে ফেরারা ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলেন যেন ক্যামেরার ওপাশে ম্যারাডোনা ফোনে কথা বলছেন! এভাবেই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে কল্পনায় ক্যামেরার ওপাশে রেখে তাঁর প্রতি সম্ভাষণসূচক হাত নাড়েন ফেরারা। দুজনে মিলে নাপোলিকে জিতেছেন উয়েফা কাপ, ইতালিয়ান কাপ ও ইতালিয়ান সুপার কাপ।

অযুত সব স্মৃতি থেকে কিছু বের করে আনার আগে ম্যারাডোনার প্রতি ফেরারা বলেন, ‘তোমার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু আমাকে একদম অপ্রস্তুত করে দিয়েছে। অবশ্য এটা তোমার চেয়ে আর কে ভালো পারে!’

‘অপ্রস্তুত’—কথাটা কেন সেটা এরপরই বুঝিয়ে দেন ফেরারা। ম্যারাডোনার মৃত্যু। ‘হঠাৎ করেই শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত চলাচলের অভাব অনুভূত হচ্ছিল। আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না। না, ডিয়েগো আমরা কেউ-ই প্রস্তুত ছিলাম না। আর সেই নভেম্বরের বুধবার অনেকের জীবনেই সবচেয়ে দুঃখের দিনগুলোর একটি হয়ে থাকবে’—ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বলেন ফেরারা।

ভিডিওর শেষ দিকে ম্যারাডোনাকে বিদায় জানাতে গিয়ে ফেরারা বলেন, ‘...কিন্তু সবার আগে বলো, তুমি কেমন আছ? কী বাঁচাটাই না বেঁচে গেছ! কতরকম ভাবনাই তো তোমার ছিল। ফোন করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। ভুলে যেও না তোমাকে ভালোবাসি বন্ধু। বিদায় ডিয়েগো, বিদায় অধিনায়ক।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন