বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চেয়েছে দলটি। স্বাগতিক আতলেতিকোর রক্ষণে শুরুতেই ঝাপিয়ে পড়ার চেষ্টাও করে তারা। কিন্তু খুব ভালো কোনো আক্রমণ রচনা করতে পারেননি ডিপাই-কুতিনিয়োরা। উল্টো ২৩ মিনিটে গোল খেয়ে বসে বার্সেলোনা। লুইস সুয়ারেজে অসাধারণ এক পাস থেকে দুর্দান্ত গোলে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন টমাস লেমার।

লেমারের এ গোলের পর ক্যামেরা ঘুরে যায় গ্যালারিতে বসে থাকা কোমানের দিকে। রক্ষণে কিছুই হচ্ছে না, এমন একটি ভাব দেখিয়েছেন বার্সেলোনা কোচ। বাস্তবতাও তা–ই, লেমারকে আটকানোর জন্য পিকে বা দেস্তদের যে অবস্থানে থাকার কথা ছিল, সেখানে তাঁরা ছিলেন না সময়মতো।

default-image

গোল শোধে মরিয়া বার্সেলোনা এরপর আক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু আতলেতিকোর গোছানো রক্ষণকে কোনোভাবেই পরাজিত করতে পারেননি ডিপাই-কুতিনিয়োরা। উল্টো ২৮ মিনিটে অসাধারণ এক সুযোগ পেয়ে যায় আতলেতিকো। কিন্তু সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি লুইস সুয়ারেজ।

উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার সুয়ারেজ অবশ্য স্কোরশিটে নাম লেখাতে পারেন প্রথমার্ধেই। জোয়াও ফেলিক্সের অসাধারণ এক পাস থেকে ডান প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক শটে আতলেতিকোর পক্ষে ব্যবধান ২-০ করেন সুয়ারেজ।

default-image

বার্সেলোনার সাবেক স্ট্রাইকার ম্যাচের আগের দিনই বলেছিলেন, গোল পেলেও উদ্‌যাপন করবেন না। গোল করার পর তা তিনি করেনওনি; বরং গোল করার পর তাঁর সতীর্থরা যখন উৎসব করতে দৌড়ে এসেছেন, সুয়ারেজ বার্সেলোনার সমর্থকদের দিকে করজোড় করে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি করেছেন।

সুয়ারেজ যতই ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি করুন না কেন, এমন হারে তো কোমানের চাকরি থাকার কথা নয়। যদিও বার্সেলোনা সভাপতি কোমানকে আশ্বস্ত করেছেন, আপাতত তিনিই থাকছেন বার্সেলোনার কোচ।

দ্বিতীয়ার্ধে কোমানকে মুঠোফোনে আরও একবার কথা বলতে দেখা যায়। হয়তো ডাগআউটে দাঁড়ানো সহকারী কোচকে কোনো নির্দেশনা দিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু সেই নির্দেশনা যে কোনো কাজে আসেনি, সে তো ম্যাচের ফলই বলে দেয়!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন