বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলতে নেমেছেন কাল রাতে। মিলানের হয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নামেন বদলি হিসেবে, ৬৫ মিনিটে। ম্যাচে তখন গোলশূন্য সমতা। ২২ মিনিট পর দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেন মেসিয়াস। ৮৭ মিনিটে অসাধারণ এক হেডে মিলানকে এগিয়ে দেন তিনি।

মেসিয়াসের গোলেই বেঁচে রইল মিলানের চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে ওঠার স্বপ্ন। ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপে তৃতীয় স্থানে আছে মিলান। সমান পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আতলেতিকো মাদ্রিদ। ১৫ পয়েন্ট শীর্ষে থাকা লিভারপুল এরই মধ্যে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে ফেলেছে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে পোর্তো। একটি করে ম্যাচ বাকি সব দলেরই। কাজেই শেষ ম্যাচে নিচের দিকে থাকা ৩ দলের যে কেউই যেতে পারে পরের রাউন্ডে।

default-image

স্রোতের বিপরীতে কাল আতলেতিকোকে হারিয়ে এসি মিলানের শেষ ষোলোর আশা বাঁচিয়ে রাখাটা অনেকের কাছেই বিস্ময় হয়ে এসেছে। এর চেয়েও বেশি বিস্ময়কর ব্যাপার মেসিয়াসের ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলতে পারাটা। ভাগ্য বদলানোর সন্ধানে ব্রাজিল থেকে ২০১১ সালে ইতালিতে পাড়ি জমানো মেসিয়াস শুরুতে সেখানে দালান ভাঙা, ইটটানার মতো কাজ করতেন। এরপর করেছেন ওয়াশিং মেশিন ও ফ্রিজ ডেলিভারির কাজ।

কাজের ফাঁকে ফাঁকে শখের ফুটবল খেলতেন মেসিয়াস। ৩০ বছর বয়সী ফুটবলার ৩ বছর আগেও খেলতেন ইতালির অপেশাদার লিগ সিরি ‘ডি’তে। অপেশাদার লিগে তিনি প্রথম খেলতে শুরু করেন ২০১৫ সালে এবং সেটি শুধুমাত্র শখ পূরণের জন্যই। ২০১৭ সালে তিনি নাম লেখান সিরি ‘ডি’–এরই ক্লাব গোৎসানোতে। সে বছর দলটিকে সিরি ‘সি’তে তুলতে বড় ভুমিকা রাখেন মেসিয়াস।

default-image

পেশাদার লিগ সিরি ‘সি’তে তাঁর অভিষেক ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে। এই লিগে তিনি প্রথম গোল করেন এর তিন দিন পর, কুয়েনোর হয়ে পিয়াসেনজার বিপক্ষে। ২০১৯ সালে তাঁকে কিনে নেয় সিরি ‘বি’র ক্লাব ক্রোতনে। সে বছরই আগস্টে প্রথম খেলেন সিরি ‘বি’তে। দলটিকে সিরি ‘আ’তে তুলতে ভূমিকা রাখেন মেসিয়াস। এরপর ধারের চুক্তিতে যান এসি মিলানে। সবকিছু মিলিয়ে মেসিয়াসের যাত্রা যেন রূপকথাকেও হার মানায়!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন