default-image
>

করোনাভাইরাসের প্রভাব ফুটবলে পড়েছে বহু আগেই। এবার ওই একই কারণে পরিবর্তিত হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু

৩০ মে, অর্থাৎ আজ রাতে হওয়ার কথা ছিল এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল। যে মাঠে ২০০৫ সালে লিভারপুল সবাইকে চমকে দিয়ে এসি মিলানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল, তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সেই কামাল আতাতুর্ক স্টেডিয়ামে হবে সে ফাইনাল, এমনটাই নির্ধারিত ছিল। তবে করোনাভাইরাসের কারণে সেই পরিকল্পনায় রদবদল আসছে।

এমনিতেই করোনাভাইরাসের কারণে অন্য সব প্রতিযোগিতার মতো থেমে আছে চ্যাম্পিয়নস লিগও। কবে শেষ হবে, কীভাবে শেষ হবে, আদৌ শেষ হবে কি না, কেউই জানে না। তবে উয়েফা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে চলমান মৌসুম শেষ করার জন্য। তবে করোনাভাইরাসের উপদ্রব দেখে তুরস্কের ওই মাঠে যে ফাইনাল আয়োজন করা হবে না, সে ব্যাপারে উয়েফা মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে বলে 'নিউইয়র্ক টাইমস'কে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। ইস্তাম্বুলে না হলে কোন মাঠে আয়োজন করা হবে, সে ব্যাপারেও আলাপ-আলোচনা চলছে। তুরস্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ব্যাপারে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন তাঁরা। পরবর্তী সময়ে তুরস্ককে অবশ্যই আরেকটি ফাইনাল আয়োজন করতে দেওয়া হবে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে গত মৌসুমে সব মিলিয়ে ২০০ কোটি ইউরোর মতো প্রাইজমানি দেওয়া হয়েছে। এবারও অঙ্কটা তার আশপাশেই থাকবে। চ্যাম্পিয়নস লিগের চলমান মৌসুম শেষ না করতে পারলে তাই বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে উয়েফা।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে এর মধ্যেই জার্মান লিগের মতো ঘরোয়া লিগগুলো শুরু হয়ে গিয়েছে। স্প্যানিশ লিগ, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইতালিয়ান সিরি 'আ' আবার কবে থেকে শুরু হবে, সেই দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়ে গেছে। পিছিয়ে থাকতে চাইছে না চ্যাম্পিয়নস লিগও।

এদিকে স্প্যানিশ মিডিয়া মারফত জানা গেছে, ইস্তাম্বুল থেকে সরিয়ে এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল পর্তুগালের লিসবনে করা হতে পারে। উয়েফার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘এর মধ্যেই বিভিন্ন লিগ ও ক্লাবের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা আলোচনা করছে কবে ও কোথায় চ্যাম্পিয়নস লিগের বাকি ম্যাচগুলো শেষ করা যায়। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0