বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে টানা ১০ ম্যাচ জিতে রেকর্ড গড়েছিল ব্রাজিল। এ টুর্নামেন্টের ইতিহাসে কোনো দলের টানা সর্বোচ্চসংখ্যক ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। বারানকুইলার এস্তাদিও মেত্রোপলিতানোয় আজ সংখ্যাটা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার-রাফিনহারা।

default-image

বিরতির পর শেষ ১০ মিনিটে রাফিনহার দারুণ দুটি চেষ্টা রুখে দেন কলম্বিয়া গোলকিপার ডেভিড ওসপিনা। কলম্বিয়া এগিয়ে যেতে পারত ম্যাচের শুরুর দিকেই। ৪ মিনিটে ইয়েরে মিনা ঠিকমতো হেড করতে পারলে ম্যাচের স্কোরকার্ড অন্যরকমও হতে পারত।

নিষ্প্রাণ প্রথমার্ধের পর ম্যাচের দুই দল জেগে উঠেছিল শেষ ৩০ মিনিটে। কিন্তু দুই দলের গোলকিপার এ সময় ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান। দুরপাল্লার প্রচেষ্টা রুখে দেন কলম্বিয়ার ওসপিনা ও ব্রাজিলের আলিসন।

আগের ৯ ম্যাচে ২২ গোল করা ব্রাজিলের আক্রমণভাগ এ ম্যাচে প্রত্যাশানুযায়ী খেলতে পারেনি। নেইমার ১৫টি পাস দিতে ব্যর্থ হন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কোনো ম্যাচে পাসিংয়ে তাঁর এটাই সবচেয়ে বাজে ব্যর্থতার নজির।

default-image

তবে প্রথমার্ধে দারুণ একটি শট নিয়েছিলেন নেইমার। লুকাস পাকেতার শট রুখে দেন ওসপিনা। নেইমারের পাস থেকে কলম্বিয়া গোলকিপার ওসপিনাকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি পাকেতা।

বিরতির পর কলম্বিয়ার ম্যাথিয়াস ইরিবের শট রুখে দেন আলিসন। শেষ দিকে ওসপিনার দারুণ দুটি পরীক্ষা নেন রাফিনহা। তাঁর বাঁ পায়ের দুরপাল্লার শট ডাইভ দিয়ে ঠেকান ওসপিনা। এরপর আন্তনিওর ক্রসে দারুণভাবে পা ছুঁইয়েছিলেন। ওসপিনা এবারও বাধা!

ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-১ গোলে জেতা ম্যাচের একাদশে চারটি পরিবর্তন এনে দল সাজান ব্রাজিল কোচ তিতে। নিজের পছন্দের ৪-৪-২ ফর্মেশনে বদল এনে দল মাঠে নামান ৪-৩-৩ ছকে। লেফট ব্যাকে ফিরিয়েছেন অ্যালেক্স সান্দ্রোকে।

default-image

রক্ষণে থিয়াগো সিলভার জায়গায় এদের মিলিতাও, মাঝ মাঠে গারসনের বিকল্প ফ্রেড এবং নেইমারকে জায়গা দিতে এভারটন রিবেইরোকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন তিতে।

অন্য ম্যাচে পেরুকে ১-০ গোলে হারায় বলিভিয়া। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে ভেনেজুয়েলা। ১১ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাতে পেরু। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে আটে বলিভিয়া। ইকুয়েডর (১১ ম্যাচে) ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে। টেবিলে শীর্ষ চার দল সরাসরি খেলবে কাতার বিশ্বকাপে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন