বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আসলে ভারতের বিপক্ষে সেদিন নিজের খামখেয়ালিপনার মাশুলই গুনতে হয়েছে বিশ্বনাথকে। ১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও ১০ জন নিয়ে ম্যাচটি বাংলাদেশ ড্র করায় আড়াল হয়ে গেছে সে খামখেয়ালিপনা।

ম্যাচে সে মুহূর্তে পূর্ণ মনোযোগ ছিল না বিশ্বনাথের, যে কারণে খেয়াল করেননি তাঁর পেছন দিয়ে উঠতে থাকা ভারতীয় উইঙ্গার লিস্টন কোলাসোকে। বিশ্বনাথের মনোযোগের অভাবই কাজে লাগিয়েছেন দ্রুতগতির কোলাসো।

default-image

ম্যাচের তখন ৫৩ মিনিট। ভারতের স্ট্রাইকার মানভীর সিং মাঝমাঠে হেড করলে বল বাংলাদেশের বক্সের দিকে যেতে থাকে। মনোযোগ ঠিক থাকলে বিশ্বনাথের সে বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়াতে কোনো ঝুঁকিই ছিল না। কিন্তু তাঁর পেছন দিয়ে কোলাসো উঠে আসছিলেন, সেটা খেয়াল করেননি বিশ্বনাথ।

অনেকটা খোশমেজাজে দুলকি চালে বলের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন বাংলাদেশের রাইটব্যাক। সেটির সুবিধা নিয়ে কোলাসো অনেক পেছন থেকে দৌড়ে এসে বের হয়ে যান। উপায়ান্তর না দেখে পেছন থেকে তাঁকে টেনে ধরেন বিশ্বনাথ।

রক্ষণে শেষ ডিফেন্ডার ছিলেন তিনি, গোলমুখে ছুটতে থাকা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে এভাবে টেনে ধরার তখন একটাই ফল হতে পারত। তা-ই হয়েছে। সরাসরি লাল কার্ড দেখেন বিশ্বনাথ!

এর আগে ২০১৭ সালেও অনূর্ধ্ব-১৮ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অহেতুক লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বিশ্বনাথকে। নেপালের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ এক খেলোয়াড়কে অহেতুক কনুই মেরেছিলেন তিনি। মজার ব্যাপার, সেদিনও লাল কার্ডটা বিশ্বনাথ দেখেছিলেন ৫৩ মিনিটেই!

মাঠে বিশ্বনাথের নিবেদন ও পারফরম্যান্স নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তাঁর ক্ষণিকের অমনোযোগিতার জের টানতে হয় পুরো দলকেই। অনূর্ধ্ব-১৮ সাফে নেপালের বিপক্ষে সেই ম্যাচ শেষে বিশ্বনাথকে এক হাত নিয়েছিলেন উপদেষ্টা কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ড।

default-image

ভারতের বিপক্ষে এবার বিশ্বনাথের ওই লাল কার্ডের পর নিয়মিত একাদশের গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড় বিশ্বনাথ ও রাকিবকে ছাড়াই কাল মালদ্বীপের বিপক্ষে পরিকল্পনা সাজাতে হবে ব্রুজোনকে। এ নিয়ে স্প্যানিশ কোচের আফসোসও আছে।

জানা গেছে, রাকিবের জায়গায় লেফট উইঙ্গার হিসেবে খেলানো হতে পারে মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে আর বিশ্বনাথের জায়গায় রাইটব্যাকে খেলবেন রহমত মিয়া।

তবু প্রশ্ন ওঠে। বিকল্প হয়তো হাতে আছে। কিন্তু কেন এমন খামখেয়ালিপনা?

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন