কোপায় মেসিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত আর্জেন্টিনা।
কোপায় মেসিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত আর্জেন্টিনা।ছবি: রয়টার্স

করোনাই এখন ‘নিউ নরমাল’। এর মধ্যেই বেঁচে থাকা শিখতে হবে, এর মধ্যেই প্রয়োজনীয় কাজ করে যেতে হবে, একে নিয়েই পাড়ি দিতে হবে জীবনের চলার পথ। ব্যাপারটা মেনে নিয়েই বিশ্বব্যাপী মোটামুটি সব কাজ চলছে। খেলাধূলাই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? গত বছর থেকেই ক্লাব ফুটবল, আন্তর্জাতিক ফুটবল চলছে পুরোদমে। বাকি ছিল ইউরো আর কোপার মতো আয়োজন। এ বছর হয়তো সেগুলোও দেখে ফেলবে বিশ্ব।

লাতিন ফুটবলের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আসর কোপা শুরু হওয়ার কথা আর কয়েক মাস পরই। নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে মাঠে নামবেন মেসি–নেইমার–সুয়ারেজরা। করোনাকালে সেটি অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই। সে কারণেই নিজেদের খেলোয়াড়দের সুরক্ষার ব্যাপারে সচেষ্ট দলগুলো।

এ ব্যাপারে এগিয়ে আর্জেন্টিনাই। তারা একদম ছাড় দিতে রাজি নয় খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারে। জানা গেছে, ভ্যাকসিন দিয়ে তবেই কোপা আমেরিকায় খেলতে যাওয়ার অনুমতি মিলবে মেসিদের।

কিন্তু কোন ভ্যাকসিন নেবেন মেসিরা? সেটাও জানা গেছে। চীনের বানানো সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন নিয়ে তারপর শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা দল। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিভিথ্রি এমনটাই জানিয়েছে।

default-image
বিজ্ঞাপন

টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করার অন্যতম শর্ত হলো ভ্যাকসিন গ্রহণ করা। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা ভ্যাকসিন গ্রহণ না করলে সে দলকে কোপা আমেরিকায় খেলতে দেওয়া হবে না। কনমেবলের সভাপতি আলেহান্দ্রো দমিঙ্গেজ নিজেই নিশ্চিত করেছেন ব্যাপারটা। গতকাল বৃহস্পতিবার এই নিয়ম চালু করেছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক এই সংস্থা।

দমিঙ্গেজ জানিয়েছেন, ‘টিকা নিলে আমাদ্রে খেলোয়াড় ও অন্যান্য কর্মকর্তারা বাড়তি আরেকটু নিরাপত্তা পাবেন। কারণ, আমরা সবাই জানি, কেবল একজন দিয়ে দল হয় না। তাই দলের সবাই সুযোগ পাবেন ভ্যাকসিন নেওয়ার।’

টিভিথ্রি জানিয়েছে, কনমেবল এর মধ্যেই ৫০ হাজার ডোজ সিনোভ্যাক টিকা পেয়ে গেছে। যদিও আর্জেন্টিনায় এখনো এই টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়নি, তাই দলের অনেক খেলোয়াড়কে উরুগুয়েতে গিয়ে টিকা দিয়ে আসতে হতে পারে। এর আগে গত ডিসেম্বরে জানা গিয়েছিল, সিনোভ্যাকের টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে ব্রাজিল। দেশটির একটি রাজ্যের গভর্নর সেবার বলেছিলেন, তাঁর দেশ চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের তৈরি টিকা করোনাভ্যাকের ৪ কোটি ৬০ লাখ ডোজ কিনবে। এই টিকার ৯০ লাখ ডোজ ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ব্রাজিলের কাছে পৌঁছবে বলে জানা গিয়েছিল তখন।

সেই সিনোভ্যাকের ওপরই এখন আস্থা মেসিদের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন