বিজ্ঞাপন
default-image

উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের রাগ আর ক্ষোভ সবচেয়ে বেশি যে কোচ কোমানের ওপরই ছিল, এত দিনে সেটাও স্পষ্ট হয়েছে। এবার সরাসরি সুয়ারেজ বলে দিলেন—কোমান একজন ব্যক্তিত্বহীন মানুষ। তাঁর কারণেই তাঁকে বার্সেলোনা ছাড়তে হয়েছে বলেও মনে করেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার।

স্পেনের কোপে রেডিওকে সুয়ারেজ বলেছেন, ‘আমি কখনোই বার্সেলোনার বিরুদ্ধে যাব না, বা তাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলব না। তারা আমাকে সবকিছু দিয়েছে। আমি ফুটবল খেলোয়াড়দের অভিজাতদের কাতারে উঠেছি তাদের কারণেই। কিন্তু সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ (সেই সময়) আমাকে কিছু না বলে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন।’

default-image

২০১৯–২০ মৌসুম শেষে বার্সেলোনায় তোলপাড় চলছিল। লিওনেল মেসিকে নিয়ে বিরাট বিপদে পড়েছিল ক্লাবটি। সেই সময় সুয়ারেজের সাহায্য চেয়েছিলেন সভাপতি বার্তোমেউ। কিন্তু তাঁর প্রতিদান হিসেবে সুয়ারেজকে কী দিল বার্সা? উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের ক্ষোভটা এখানেই।

কোপে রেডিওকে সুয়ারেজ বলেছেন, ‘যে সময় তারা চাইছিল লিও বার্সেলোনাতেই থাকুক, তারা আমাকে ডেকে পাঠায়। মেসিকে বার্সায় থাকতে রাজি করানোর জন্য আমাকে ব্যবহার করে। আমাকে তারা বলেছিল গ্রিজমানের সঙ্গে কথা বলতে...তাহলে তারা যখন চাইছিল আমি চলে যাই, তখন আমাকে কেন ডেকে নিয়ে কথা বলল না!’

default-image

সভাপতির বিষয়টি নিয়ে কথা বলার পর কোমান সম্পর্কে বলেছেন সুয়ারেজ। মনের অর্গল খুলে দিয়েছেন তিনি কোপে রেডিওকে, ‘কোচই–বা কেন আমার কাছে আসলেন না, আর আমাকে বললেন না যে তিনি আমাকে তাঁর দলে হিসাব করছেন না, তিনি অন্য ধরনের স্ট্রাইকার চান!’

কোমান তাঁকে একেকবার একেক রকমের কথা বলেছেন বলেও অভিযোগ সুয়ারেজের, ‘কোমান আমাকে প্রথমে বললেন, আমি তাঁর পরিকল্পনায় নেই। এরপর তিনি আবার বললেন, “আমরা যদি সমস্যার সমাধান আগামীকালের মধ্যে করতে না পারি, তাহলে আমার পরিকল্পনায় তুমি ফিরে আসবে এবং ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে আমি তোমাকে রেখেই হিসাব করছি।” এরপর আমি খেয়াল করলাম যে লোকটির কোনো ব্যক্তিত্ব নেই।’

কোমানকে নিয়ে সুয়ারেজের শেষ কথা ছিল এ রকম, ‘আমাকে তাঁর আর প্রয়োজন নেই, এটা বলার মতো সাহস কোমানের ছিলই না। আমাকে বিক্রি করার সিদ্ধান্তটি আসলে (বার্সেলোনার) বোর্ড নিয়েছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন